NCB: গুজরাটের পর এবার দিল্লি, ৯০০ কোটি টাকার মাদক উদ্ধার, এনসিবিকে অভিনন্দন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহের
নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি) অভিযান চালিয়ে শুক্রবার দিল্লি থেকে ৮২ কেজি ৫৩ গ্রাম মাদক বাজেয়াপ্ত করেছে। আন্তর্জাতিক বাজারের যার আনুমানিক মূল্য ৯০০ কোটি টাকা। পশ্চিম দিল্লির নাঙ্গলই এবং জনকপুরী এলাকায় অভিযান চালিয়ে উদ্ধার হয়েছে এই বিশাল পরিমাণ মাদক। এই ঘটনায় দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একথা জানিয়েছেন।
শুক্রবার অমিত শাহ নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘একদিনে অবৈধ মাদকের বিরুদ্ধে একের পর এক বড় সাফল্য মোদী সরকারের মাদকমুক্ত ভারত গড়ার পথ প্রশস্ত করছে। এনসিবি আজ দিল্লিতে ৮২ কেজি ৫৩ গ্রাম মাদক বাজেয়াপ্ত করেছে দিল্লির একটি কুরিয়ার সেন্টার থেকে। যার মূল্য প্রায় ৯০০ কোটি টাকা।‘
শাহ আরও জানিয়েছেন, এই তল্লাশি অব্যাহত থাকবে।
এনসিবি সূত্রে জানা গেছে, একটি ক্যুরিয়ার অফিস থেকে ওই মাদক বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এটি অস্ট্রেলিয়ায় পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল। তা থেকে আধিকারিকদের অনুমান, এই মাদক কারবারিদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক কোনও চক্রের যোগ থাকতে পারে।
এর আগে শুক্রবার পোরবন্দরের পাশে গুজরাট উপকূলে ভারতীয় আঞ্চলিক জলসীমা থেকে ৭০০ কেজি মেথামফেটামিন (Methamphetamine) মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে যার মূল্য প্রায় ২৫০০-৩৫০০ কোটি টাকা। এনসিবি সূত্রে খবর, এই অভিযানে আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযুক্তরা নিজেদের ইরানি বলে পরিচয় দিয়েছেন।
এর আগে গত ১৩ অক্টোবর দিল্লি এবং গুজরাট পুলিশের যৌথ অভিযানে গুজরাটের অঙ্কলেশ্বর থেকে ৫১৮ কেজি মাদক বাজেয়াপ্ত করা হয়। যার আন্তর্জাতিক বাজার মূল্য প্রায় ৫০০০ কোটি টাকা। সেই অভিযানে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ।
এর আগে গত ১০ অক্টোবর দিল্লির রমেশ নগরের একটি দোকান থেকে প্রায় ২০৮ কেজি মাদক বাজেয়াপ্ত করা হয়। মাদকগুলো স্ন্যাক্সের প্যাকেটের ভিতর লুকিয়ে রাখা ছিল। তার আগে গত ১ অক্টোবর দিল্লি পুলিশের বিশেষ বাহিনী মহিপালপুরের একটি গুদামে অভিযান চালিয়ে ৫৬২ কেজি মাদক এবং ৪০ কেজি হাইড্রোপনিক মারিজুয়ানা বাজেয়াপ্ত করেছিল।
সেই সময় অমিত শাহ নিজের এক্স হ্যান্ডেলে এর জন্য এনসিবি-কে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন।
SUPPORT PEOPLE'S REPORTER
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

