CITU-র লাগাতার আন্দোলনের জের, হরিয়ানায় মিড-ডে-মিল কর্মীদের বেতন দ্বিগুণ করতে বাধ্য হলো BJP সরকার

২০১৮ থেকে শুরু করে দীর্ঘ চার বছর হরিয়ানার প্রায় ৩২ হাজার মিড ডে মিল কর্মচারী এই আন্দোলন চালিয়ে গেছেন। এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছে CITU-র মিড ডে মিল শ্রমিক সংগঠন - মিড ডে মিল ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন, হরিয়ানা
CITU-র লাগাতার আন্দোলনের জের, হরিয়ানায় মিড-ডে-মিল কর্মীদের বেতন দ্বিগুণ করতে বাধ্য হলো BJP সরকার
CITU-র নেতৃত্বে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন মিড-ডে-মিল কর্মীদেরছবি সংগৃহীত

লাগাতার আন্দোলনের জেরে হরিয়ানার মিড-ডে মিল কর্মীদের বেতন দ্বিগুণ করতে বাধ্য হল মনোহর লাল খাট্টার পরিচালিত বিজেপি সরকার। দীর্ঘ আন্দোলনের পর বেতন দ্বিগুণ হওয়ায় খুশি রাজ্যের মিড ডে মিল কর্মীরা। ২০১৮ থেকে শুরু করে দীর্ঘ চার বছর হরিয়ানার প্রায় ৩২ হাজার মিড ডে মিল কর্মচারী এই আন্দোলন চালিয়ে গেছেন। এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছে সিআইটিইউ-র মিড ডে মিল শ্রমিকদের সংগঠন - মিড ডে মিল ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন, হরিয়ানা।

বৃহস্পতিবার হরিয়ানা সরকার একটি আদেশ জারি করে জানিয়েছে ৩৫০০ টাকার পরিবর্তে এখন মিড ডে মিল কর্মীদের ৭ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। অর্থাৎ রাজ্য সরকার সরাসরি মজুরি বাড়িয়েছে ৩৫০০ টাকা।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে মিড-ডে কর্মীরা তাঁদের দাবিতে সরকারের বিরুদ্ধে লাগাতার আন্দোলন করে আসছিলেন। শ্রমিকদের দাবি ছিলো, সরকার তাঁদের প্রতি অবিচার করছে। দীর্ঘ আন্দোলনের পর নিজেদের দাবি আদায় করে নিলেন মিড ডে মিল কর্মীরা।

উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সালের ১৫ আগস্ট মিড ডে মিল স্কীম শুরু হয় এবং প্রথমে এই স্কিমটি ২০০০ টিরও বেশি ব্লক স্কুলে প্রয়োগ করা হয়েছিল। এই প্রকল্পের সাফল্যের পরে, ২০০৪ সালে, এই প্রকল্পটি সারা দেশে সরকারি স্কুলগুলিতে প্রয়োগ করা হয়। বর্তমানে এই প্রকল্পটি দেশের সমস্ত সরকারি স্কুলে চলছে।

কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালিত এই প্রকল্পে স্কুলে পাঠরত ছাত্রছাত্রীদের পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হয়। এই প্রকল্পের খরচ কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার যৌথভাবে বহন করে। এই প্রকল্পের ব্যয়ের মধ্যে ৬০ শতাংশ কেন্দ্রীয় সরকারকে এবং ৪০ শতাংশ রাজ্যগুলিকে দিতে হয়। কেন্দ্রীয় সরকার খাদ্যশস্য এবং অর্থ প্রদান করে, অন্যদিকে রাজ্য সরকারগুলি সুবিধা, পরিবহন এবং শ্রমের খরচ বহন করে। এই প্রকল্পের আওতায় প্রতিদিন কোটি কোটি শিশুকে স্কুলে খাবার দেওয়া হয়। যদিও সাম্প্রতিক সময় বিভিন্ন রাজ্যে এই প্রকল্প এবং প্রকল্পের বরাদ্দ নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছে।

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in