Gujarat: বৃষ্টিবিঘ্নিত গুজরাটে ১ জুন থেকে মৃত ৬৩, শেষ ২৪ ঘণ্টায় ৭ জনের মৃত্যু

রাজ্যের মন্ত্রী রাজেন্দ্র ত্রিবেদী সোমবার জানান, এই সময়ে প্রাচীর ধসে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, ডুবে যাওয়ার কারণে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, গাছ পড়ে মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের এবং বিদ্যুতের খুঁটি ধসে ১ জন মারা গেছেন।
বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত গুজরাট
বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত গুজরাটছবি সৌজন্যে টুইটার

এই বছরের ১ জুন থেকে গুজরাটে বৃষ্টি-সম্পর্কিত ঘটনায় কমপক্ষে ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সর্বাধিক ৩৩ জন বজ্রপাতের কারণে মারা গেছে। শেষ ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৭ জনের। রাজ্যের রাজস্ব ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী রাজেন্দ্র ত্রিবেদী সোমবার জানিয়েছেন, এই সময়ের মধ্যে প্রাচীর ধসে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, ডুবে যাওয়ার কারণে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। গাছ পড়ে ৫ জন এবং বিদ্যুতের খুঁটি ধসে ১ জন মারা গেছেন।

আনন্দ, দেবভূমি দ্বারকা, কচ্ছ, পোরবন্দর, ছোটোদেপুর, তাপি, নভসারি, ভালসাদ, নর্মদা এবং ভাদোদরা জেলার মোট ১০,৬৭৪ জন নাগরিককে প্রশাসন দ্বারা স্থানান্তরিত করা হয়েছিল; যার মধ্যে ৬,৮৫৩ জন বাড়ি ফিরেছেন এবং প্রায় ৩,৮২১ জন সরকার কর্তৃক প্রদত্ত আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছেন এখনও।

এক সাংবাদিক সম্মেলনে ত্রিবেদী বলেন, রাজ্যের ভরুচ, ছোটোদেপুর, নর্মদা, সুরাট, তাপি, ডাং, নবসারি এবং ভালসাদ জেলায় ভারী বৃষ্টির জন্য লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফ-এর মোট ১৮টি দল বৃষ্টি বিপর্যস্ত জেলাগুলিতে উদ্ধার অভিযানের জন্য মোতায়েন করা হয়েছে।

রাজ্যে বৃষ্টি-পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন সম্পূর্ণ সজ্জিত বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী ক্রমাগত বৃষ্টিপাতের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছেন।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের পর্যাপ্ত খাবার ও জলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। প্রবল বৃষ্টিপাতের মধ্যে পাঁচটি জেলা থেকে আনুমানিক ৫০৮ জন অসামরিক নাগরিককে সফলভাবে উদ্ধার করা হয়েছে।

১ জুন থেকে এখনও পর্যন্ত মোট ২৫টি বাড়ি এবং ১১টি কুঁড়েঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মন্ত্রী আরও জানান, প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে রাজ্যে এখন পর্যন্ত আনুমানিক ২৭২টি গবাদি পশু মারা গেছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, গত ৪৮ ঘণ্টা ধরে গুজরাটের ৯টির বেশি জেলায় ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে, যা এই জেলাগুলির জনজীবনকে বিপর্যস্ত করেছে। বহু মানুষ ঘরবাড়ি ও জিনিসপত্র হারিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সোমবার রাজ্যের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেলকে ফোন করেছেন। রাজ্যের বৃষ্টি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে এনডিআরএফ মোতায়েন সহ সমস্ত প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

মুখ্যসচিব পঙ্কজ কুমার, ভরুচ, তাপি, নর্মদা, সুরাট, ভালসাদ, ডাং এবং ছোটোদেপুর জেলার আধিকারিকদের সাথে আলোচনার সময়, আধিকারিকদের ত্রাণ তৎপরতা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং আহমেদাবাদের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী হৃষিকেশ প্যাটেল আহমেদাবাদের বিভিন্ন জায়গা পরিদর্শন করেছেন এবং পরিস্থিতি মূল্যায়ন করেছেন।

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in