

এলাকায় কোনো উন্নয়ন হয়নি। বাধ্য হয়ে বিধানসভা ভোট বয়কট করেছেন গুজরাটের মেহসানা জেলার (Mehsana district) চারটি গ্রামের ভোটাররা।
এরমধ্যে একটি হল বেচারাজি তালুকা (Becharaji Taluka)-র অন্তর্গত বারিয়াফ গ্রাম (Bariyaf village)। আর, বাকি ৩ টি গ্রাম হল খেরালু তালুকার (Kheralu Taluka) অন্তর্গত।
এই ৪ গ্রামের মানুষ জানিয়েছে, কয়েক দশক ধরে গ্রামে কোনও উন্নয়ন হয়নি। কোনও সমস্যার সমাধানও করা হয়নি। তাই, এবারের নির্বাচনে কেউ অংশ নিচ্ছে না।
জানা যাচ্ছে, দুপুর ১টা পর্যন্ত এই চারটি গ্রামে একটি ভোটও পড়েনি।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে বারিয়াফ গ্রামের সরপঞ্চ (প্রধান) রাজু প্যাটেল বলেন, ‘দশক ধরে প্রায় অর্ধডজন বিষয় ঝুলে রয়েছে। এমনকি, একাধিক লিখিত ও ব্যক্তিগত অনুরোধ জানিয়েও কিছুই হয়নি৷ যেমন, গত তিন দশক ধরে জলসম্পদ বিভাগ জানিয়ে আসছে এই এলাকার ভূগর্ভস্থ জল পানের উপযোগী নয়। পুরোনো বোরওয়েলগুলি (borewells) সিল করে দেওয়া হয়েছে, কিন্তু নতুন বোরওয়েল তৈরি করা হয়নি।'
তিনি বলেন, ‘১৯৬৮ সালে গ্রামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছিল। বর্তমানে এটির সংস্কার প্রয়োজন। গত দেড় দশক ধরে একাধিকবার এটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। এমনকি, নর্মদা নদীর জলও গ্রামে পৌঁছায়নি।’
প্রায় ১ হাজার গ্রামবাসীর প্রতিনিধি হিসাবে প্যাটেল বলেন, গ্রামবাসীরা ভোট বয়কট করেছে এবং বিক্ষোভ দেখিয়েছে। তিনি জানান, ‘মেহসানা জেলা কালেক্টর যদি এই সমস্যাগুলি সমাধানের লিখিত প্রতিশ্রুতি দেন, তাহলেই আমরা ভোট দেব।’
খেরালু তালুকার (ব্লকের) অন্তর্গত ভারেথনা (Varethna), দালিসানা (Dalisana) ও দাভোল (Davol) গ্রামের লোকজনও ভোট বয়কট করেছেন। তাঁদের দাবি হল, রূপেন নদীকে পুনরুজ্জীবিত (to revive) এবং গ্রামের হ্রদগুলি ভরাট করতে হবে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন