Farmers Protest: বিহারের চম্পারণ থেকে বারাণসী পর্যন্ত পদযাত্রায় আন্দোলনকারী কৃষকরা
ফাইল চিত্র ছবি - AIKS ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট

Farmers Protest: বিহারের চম্পারণ থেকে বারাণসী পর্যন্ত পদযাত্রায় আন্দোলনকারী কৃষকরা

পদযাত্রা যাবে উত্তরপ্রদেশের বারাণসী পর্যন্ত। ১৮ দিনের পদযাত্রায় রাস্তায় আয়োজিত হবে সভা।

মোদি সরকারের কৃষক বিরোধী এবং জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে তীব্র জনমত গড়ে তুলতে শনিবার গান্ধী জয়ন্তীতে বিহারের চম্পারণ থেকে কৃষকদের পদযাত্রা বের হচ্ছে। পদযাত্রা যাবে উত্তরপ্রদেশের বারাণসী পর্যন্ত। ১৮ দিনের পদযাত্রায় রাস্তায় আয়োজিত হবে সভা।

শুক্রবার সংযুক্ত কিষান মোর্চার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গান্ধীজীর সত্যাগ্রহ এবং সত্য ও অহিংসার নেতৃত্বে পরিচালিত হয়ে দেশজুড়ে শান্তিপূর্ণ কৃষক সংগ্রাম চলবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কৃষক সংগ্রাম চলবে। সংযুক্ত কিষান মোর্চা জানিয়েছে, মোদি সরকারের অবিচারের প্রতিবাদে আগামীকাল চম্পারণ থেকে হাজার হাজার কৃষক পথ হাঁটতে শুরু করবেন। মূলত বিহার, ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তরপ্রদেশের কৃষকরা পদযাত্রায় অংশ নেবেন।

এদিকে লাগাতার কৃষক আন্দোলনের বিরুদ্ধে আদালতকে কাজে লাগানোর অভিযোগ উঠেছে। আন্দোলনে অংশ নেয়নি এমন একটি সংগঠনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে পর্যবেক্ষণে বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। সর্বোচ্চ আদালতকে সঠিক তথ্য সরবরাহ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

দিল্লি সীমান্তে জাতীয় সড়কগুলি ১০ মাস ধরে অবরুদ্ধ থাকায় বিরূপ মন্তব্য করেন বিচারপতি এএম খানবিলকার ও বিচারপতি সিটি রবি কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ। কিন্তু বাস্তব হল কৃষকদের জন্য নয়, তাঁরা রাস্তার একপাশে আন্দোলন চালাচ্ছেন। সরকারের কাজকর্মের জেরেই অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে জাতীয় সড়ক। দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানায় পুলিশই ব্যারিকেড করে রাস্তা আটকে রেখেছে। আন্দোলনকারী কৃষকরা কখনও আদালতের দ্বারস্থ হননি।

সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার নেতৃত্বের দাবি, সুপ্রিম কোর্টের আবেদনকারীর সঙ্গে বর্তমান কৃষক আন্দোলনের কোনও সম্পর্ক নেই। কৃষকদের ন্যায্য দাবি মানা হলেই তারা আন্দোলন তুলে নেবেন, জানা সত্ত্বেও কেন্দ্র কোনও পদক্ষেপ করছে না। এদিকে, হরিয়ানা ঝাজ্জরে কৃষক আন্দোলনের উপর পুলিশ জলকামান ছোড়ে।

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.