মাদ্রাজ হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণের প্রতিবাদ জানিয়ে পিটিশন নির্বাচন কমিশনের
মাদ্রাজ হাইকোর্টফাইল ছবি সংগৃহীত

মাদ্রাজ হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণের প্রতিবাদ জানিয়ে পিটিশন নির্বাচন কমিশনের

গোটা দেশ করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে নাজেহাল। এই পরিস্থিতির জন্য কমিশনের দায়িত্বজ্ঞানহীনতাই দায়ী। সংস্থার বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা উচিত। নিজেদের পর্যবেক্ষণে এমনটাই জানিয়েছিলো মাদ্রাজ হাইকোর্ট

গোটা দেশ করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জেরে নাজেহাল। এই পরিস্থিতির জন্য নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বজ্ঞানহীনতাই দায়ী। তাই সংস্থার বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা উচিত। নিজেদের পর্যবেক্ষণে এমনটাই জানিয়েছিলো মাদ্রাজ হাইকোর্ট। এই পর্যবেক্ষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে আদালতে পিটিশন জমা দিলো নির্বাচন কমিশন। কমিশন আরও জানিয়েছে আদালতের মৌখিক পর্যবেক্ষণের ওপর ভিত্তি করে যেভাবে মিডিয়া রিপোর্টিং হয়েছে তাতে আদালতের নিয়ন্ত্রণ আনা উচিৎ। তামিলনাড়ুর পরিবহণ মন্ত্রী এম আর বিজয়ভাস্করের আবেদনের শুনানিতে ওই পর্যবেক্ষণ দেয় মাদ্রাজ হাইকোর্ট ৷ ২ মে গণনার দিন যাতে কমিশন কোভিড সংক্রমণ রুখতে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়, সেই আবেদন জানিয়ে পিটিশন দেন তিনি।

গত কয়েক মাস ধরে কোভিড প্রোটোকল না-মেনেই বিধানসভা নির্বাচন আছে এমন রাজ্যগুলিতে ব্যাপক প্রচার, জনসভা হয়েছে। কিন্তু কমিশন তা বন্ধ করেনি। বরং দায়িত্বজ্ঞানহীনের মতোই কাজ করেছে অনুমতি দিয়ে। তাই নির্বাচন সংস্থার বিরুদ্ধে গত ২৬ এপ্রিল খুনের মামলা রুজু করা উচিত বলে জানিয়েছিলো মাদ্রাজ হাইকোর্ট। হাইকোর্ট আরও বলেছিল প্রয়োজন হলে ২ তারিখে গণনা বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।

নির্বাচন কমিশনকে তুলোধোনা করে প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি সেন্থিলকুমার রামামূর্তির বেঞ্চ জানায়, আজ আমাদের এই অবস্থার জন্য দায়ী একমাত্র নির্বাচন কমিশন। কোভিড প্রোটোকল মেনে চলার জন্য আদালতের নির্দেশ থাকলেও রাজনৈতিক দলগুলি যখন তা না-মেনেই প্রচার চালিয়েছেন, তখন আপনারা কোনও পদক্ষেপ করেননি ৷

এই পর্যবেক্ষণের উত্তরে পিটিশন দিয়ে নির্বাচন কমিশন বলেছে, দেশের নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য সাংবিধানিক দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাধীন সংস্থা হিসেবে নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তিকে নষ্ট করেছে এই ধরনের খবর। আদালতের পর্যবেক্ষণের খবর প্রকাশ্যে আসার পরই বঙ্গে উপনির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগও দায়ের হয়। পিটিশনে সেই ঘটনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের বক্তব্য, আদালতের সওয়াল-জবাব প্রকাশ্যে আনার অনুমতি কাউকে দেওয়া উচিত না, বিশেষত যখন রায়ের সবিস্তার রিপোর্ট পাওয়া যাচ্ছে না৷ তামিলনাড়ুতে ৪ এপ্রিল প্রচার শেষ হয়েছে। তাই এই আদালতের এমন পর্যবেক্ষণ দেওয়া ঠিক হয়নি।

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in