Edible Oils Price Hike: রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে বেড়েছে ভোজ্য তেলের দাম - পীযূষ গোয়েল

মন্ত্রী ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধকে ভোজ্য তেলের দাম বাড়ার কারণ হিসেবে দাবি করলেও, এই যুদ্ধ শুরুর বহু আগে থেকেই দেশে দাম বেড়েছে ভোজ্য তেলের। করোনা পরবর্তী সময় থেকেই দেশে ভোজ্য তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী।
Edible Oils Price Hike: রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে বেড়েছে ভোজ্য তেলের দাম - পীযূষ গোয়েল
বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলফাইল ছবি সংগৃহীত

বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল শুক্রবার রাজ্যসভায় জানিয়েছেন যে ইউক্রেনের যুদ্ধ সহ অনেক কারণেই বিশ্বজুড়ে ভোজ্য তেলের দাম বেড়েছে। ভারতে সূর্যমুখী তেল আমদানিতে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভারতের সামগ্রিক ভোজ্য তেলের ক্ষেত্রে সূর্যমুখী তেলের অনুপাত খুবই কম। যেহেতু রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে এই তেল ইউক্রেন থেকে আমদানি করা হচ্ছিল, তাই সরকার এখন অন্যান্য দেশ থেকেও এটি আমদানির সম্ভাবনা পরীক্ষা করছে।

তবে মন্ত্রী যদিও ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধকে ভোজ্য তেলের দাম বাড়ার কারণ হিসেবে দাবি করেছেন, এই যুদ্ধ শুরুর বহু আগে থেকেই দেশে দাম বেড়েছে ভোজ্য তেলের। করোনা পরবর্তী সময় থেকেই দেশে ভোজ্য তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী। মাঝে ডিসেম্বর এবং জানুয়ারি মাসে দাম কিছুটা কমলেও জানুয়ারির পর থেকে তা আবার বাড়তে শুরু করেছে। বিজোম (BIZOM) থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসের তুলনায় ২০২২ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত সূর্যমুখী তেলের দাম বেড়েছে ৪৬ শতাংশ, সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে ২২ শতাংশ, বাদাম তেলের দাম বেড়েছে ১৬.৫০ শতাংশ, সরষের তেলের দাম বেড়েছে ৫০.৯০ শতাংশ, পাম তেলের দাম বেড়েছে ৪২ শতাংশ এবং বনস্পতির দাম বেড়েছে ৮৬%।

খুচরো বিক্রেতাদের থেকে প্রাপ্ত পরিসংখ্যান অনুসারে ২০২১ সালের মার্চ মাসে ফরচুন সয়াবিন তেলের দাম ছিলো ১২০-১২৫ টাকা। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫২ টাকা। ধারা কাচ্চি ঘানি তেলের দাম ১৪৮ টাকা থেকে বেড়ে ২০৯ টাকা এবং সানড্রপ সানফ্লাওয়ার তেলের দাম ১৫০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২০৯ টাকা।

গোয়েল এবছর সরষের ফসল বৃদ্ধির জন্য অতিরিক্ত বপনের প্রশংসা করে ভারতের কৃষকদের অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং বলেছেন এর ফলে ভোজ্য তেল আমদানির উপর দেশের নির্ভরতা হ্রাস কমবে। তিনি কৃষকদের তাদের ফসলের বৈচিত্র্য আনতে উত্সাহিত করার জন্য ভোজ্য তৈল বীজ এবং ডাল অন্তর্ভুক্ত করাকে ভারতের জন্য একটি সুযোগ বলে অভিহিত করেছেন।

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরে যারা ইউক্রেনে তাদের ব্যবসা ছেড়ে ভারতে ফিরে এসেছে তাদের সম্পর্কে ডিএমকে সদস্য পি উইলসনের একটি প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন যে এখন পর্যন্ত কেউ যুদ্ধের কারণে তাদের ব্যবসা বিপর্যস্ত হওয়ার বিষয়ে মন্ত্রকের কাছে অভিযোগ করেনি।

তিনি আরও বলেন, বিদেশী জমিতে ব্যবসা করা একটি স্বাধীন কার্যকলাপ এবং সরকার এই ধরনের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে সক্ষম হবে না। বর্তমান পরিস্থিতি দ্বারা প্রভাবিত আমদানিকারক এবং রপ্তানিকারকদের সাথে আলোচনা চলছে এবং সময়মত অর্থ প্রদান নিশ্চিত করার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

- with inputs from IANS

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.