Tamil Nadu: আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে মন্ত্রীর বাড়িতে হানা ইডির, ৬০ লাখ নগদ উদ্ধার
আর্থিক দুর্নীতি মামলায় এবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নিশানায় ডিএমকে নেতা তথা তামিলনাড়ুর উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী কে. পোনমুন্ডি ও তাঁর পুত্র সাংসদ গৌতম সিগামানি। সোমবার পিতা-পুত্রের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে মোট ৬০ লক্ষের বেশি নগদ উদ্ধার করেছে ইডি। এর মধ্যে ১০ লক্ষ টাকার বিদেশি মুদ্রা রয়েছে।
ভারতীয় সংবিধানের আর্থিক দুর্নীতি বিষয়ক পিএমএলএ আইনের আওতায় ডিএমকে নেতার সঙ্গে যোগ রয়েছে এরকম বেশ কয়েকটি জায়গায় সিআরপিএফ জওয়ানদের নিরাপত্তায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডি আধিকারিকরা।
ইডি সূত্রে খবর, ৭২ বছর বয়সী বর্ষীয়ান ডিএমকে নেতা পোনমুন্ডি যখন ২০০৭ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তামিলনাড়ু সরকারে্র খনি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ছিলেন, তখন সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। বেআইনিভাবে খনির লাইসেন্স দেওয়া থেকে শুরু করে রাজ্যের কোষাগারের প্রায় ২৮ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ করা হয় পোনমুন্ডি ও তাঁর সাংসদ পুত্র গৌতম সিগামানির বিরুদ্ধে। এই অভিযোগ নিয়েই তামিলনাড়ু রাজ্যের পুলিশের পক্ষ থেকে একটি এফআইআর দায়ের করে চার্জশিট তৈরি করা হয়। এরপর পুলিশের তরফেই মাদ্রাজ হাইকোর্টে এই দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত মন্ত্রী কে. পোনমুন্ডি ও তাঁর সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে তদন্তের আবেদন করা হয়।
গত জুন মাসে পোনমুন্ডি-পুত্র সিগামানি আদালতে রক্ষাকবচ চেয়ে আবেদন করলে মাদ্রাজ হাইকোর্ট এই মামলার বিচার স্থগিত রাখতে অস্বীকার করে। আবেদনকারী অপরাধ করেছেন এমনটা মনে করার মতো প্রচুর তথ্য-প্রমাণ রয়েছে তাই বিচার বন্ধ করা যাবে না, এমনটাই জানিয়েছিল আদালত। রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে দায়ের করা এফআইআর ও চার্জশিটে ডিএমকে নেতা পোনমুন্ডির বিরুদ্ধে তাঁর ছেলে ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নামে খনির অবৈধ লাইসেন্স নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও সেইসব খনি থেকে লাইসেন্সে অনুমোদিত সীমা লঙ্ঘন করে বেহিসেবিভাবে যথেচ্ছ পরিমাণে লাল বালি উত্তোলনেরও অভিযোগ করা হয়েছে ডিএমকে-এর পিতা-পুত্র নেতা জুটির বিরুদ্ধে।
প্রসঙ্গত, বর্ষীয়ান ডিএমকে নেতা পোনমুন্ডি বর্তমানে তাঁর গড় ভিল্লুপুরম জেলার তিরুক্কোইলুর বিধানসভার বিধায়ক। পাশাপাশি তাঁর পুত্র গৌতম সিগামানি কাল্লাকুরিচি কেন্দ্র থেকে জয়ী লোকসভা সাংসদ। গত মাসেই রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী সেন্থিল বালাজিকে চাকরির বদলে টাকা নেওয়ার অপরাধে গ্রেফতার করেছিল ইডি।
SUPPORT PEOPLE'S REPORTER
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

