Blackout: রাজধানীতে তীব্র কয়লার ঘাটতি, দু'দিনের মধ্যে ব্ল্যাকআউটের আশঙ্কা

সত‍্যেন্দ্র জৈনর অভিযোগ, এই কয়লা ঘাটতি 'ম‍্যানমেড'। কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় তরল অক্সিজেনের ঘাটতি যেভাবে সৃষ্টি করা হয়েছিল, কয়লার ঘাটতিও সেভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে বলে মনে করছেন তিনি।
Blackout: রাজধানীতে তীব্র কয়লার ঘাটতি, দু'দিনের মধ্যে ব্ল্যাকআউটের আশঙ্কা
প্রতীকী ছবি

টানা তিন মাস ধরে কয়লা সঙ্কটে ভুগছে দিল্লি। এবার পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে দু'দিনের মধ্যে কয়লা‌ না পেলে অন্ধকারে ডুবে যাবে দেশের রাজধানী। এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দিল্লির বিদ্যুৎ মন্ত্রী সত‍্যেন্দ্র জৈন। দ্রুত কয়লা সরবরাহের আর্জি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখলেন রাজ‍্যের মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

শনিবার বিদ‍্যুৎ মন্ত্রী জানিয়েছেন, "কয়লা সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি না হলে, দু'দিনের মধ্যে ব্ল‍্যাকআউট হবে দিল্লিতে। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিতে ন‍্যূনতম এক মাসের কয়লা মজুত থাকা উচিত। কিন্তু এখানে তা একদিনে নেমে এসেছে। কেন্দ্রের কাছে অনুরোধ করছি যত দ্রুত‌ সম্ভব রেল‌ ওয়াগনের ব‍্যবস্থা করে বিদ‍্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে কয়লা পাঠান। সমস্ত প্ল‍্যান্ট এখনই ৫৫ শতাংশ ধারণক্ষমতায় চলছে।"

সত‍্যেন্দ্র জৈনর অভিযোগ, এই কয়লা ঘাটতি 'ম‍্যানমেড'। কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় তরল অক্সিজেনের ঘাটতি যেভাবে সৃষ্টি করা হয়েছিল, কয়লার ঘাটতিও সেভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে বলে মনে করছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল জানিয়েছেন, আগস্ট মাস থেকে কয়লার ঘাটতি অব‍্যাহত রয়েছে। যা দিল্লির এনসিটি-তে বিদ‍্যুৎ সরবরাহকারী সেন্ট্রাল জেনারেটিং প্ল‍্যান্টস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রভাব ফেলেছে। এই বিষয়ে নিজের ট‍্যুইটারে তিনি লেখেন, "বিদ‍্যুৎ সঙ্কটের মুখোমুখি হতে পারে দিল্লি। আমি ব‍্যক্তিগতভাবে পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছি। এটি এড়ানোর যথাসাধ্য চেষ্টা করছি আমরা। প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠিও লিখেছি।"

Blackout: রাজধানীতে তীব্র কয়লার ঘাটতি, দু'দিনের মধ্যে ব্ল্যাকআউটের আশঙ্কা
বেশিরভাগ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে মজুত মাত্র ৩-৪ দিনের কয়লা, উৎসবের মরশুমে কমতে পারে বিদ্যুৎ উৎপাদন

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.