

মুসলিম সম্প্রদায়ের সদস্যদের ভোটাধিকার প্রত্যাহারের দাবি জানালেন বিহারের বিজেপি বিধায়ক হরিভূষণ ঠাকুর। AIMIM বিধায়ক আখতারুল ইমামের একটি মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে একথা বলেছেন বিজেপি বিধায়ক।
মধুবনি জেলার বিসফি কেন্দ্রের বিধায়ক হরিভূষণ ঠাকুর বৃহস্পতিবার বলেন, "১৯৪৭ সালে যখন আমাদের দেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, তখন মুসলিম সম্প্রদায়কে আলাদা একটি দেশ দেওয়া হয়েছিল, যা পাকিস্তান নামে পরিচিত। মুসলিমদের সেখানেই যাওয়া উচিত ছিল। আমরা ওদের আমাদের দেশে দেখতে চাই না। ওরা আমাদের দেশের জনসংখ্যা ক্রমশ বাড়াচ্ছে। ভারতকে মুসলিম রাষ্ট্র বানাতে চায় ওরা। মুসলিম নেতাদের একটাই এজেন্ডা বিশ্বের প্রতিটি দেশকে ইসলামিক রাষ্ট্র বানাতে চায় ওরা। আমরা কখনোই তা হতে দেব না। তাই আমরা সরকারের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি মুসলিমদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হোক এবং ওদের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকের তকমা দিন।"
ঠাকুর আরও বলেন, "মুসলিমরা আমাদের দেশে সংখ্যালঘু হিসেবে বিবেচিত হয়। আমি বলবো যে মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য ব্যবহৃত সংখ্যালঘু শব্দটি সংবিধানের উপহাস। ওরা সংখ্যালঘু নয়। ওদের জনসংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে।"
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আখতারুল ইমাম আগে জানিয়েছিলেন, তিনি এবং AIMIM-এর অন্যান্য সদস্যরা কোনও পাবলিক প্ল্যাটফর্মে বিশেষ করে বিহার বিধানসভা এবং বিধান পরিষদে 'বন্দে মাতরম' গাইবেন না। পরম্পরা অনুযায়ী, জাতীয় সঙ্গীত (জন গণ মন) এবং জাতীয় গান (বন্দেমাতরম) গেয়ে বিহার বিধানসভার অধিবেশন শুরু এবং শেষ হয়। ইমাম জানিয়েছেন, "জাতীয় সঙ্গীত আমি গাইব। কিন্তু বন্দেমাতরম গাইতে বা বলতে আপত্তি আছে আমার। বন্দে মাতরমের পরিবর্তে আমি আনন্দের সাথে 'মাদার-ই-ওয়াতন' বলব।"
হরিভূষণ ঠাকুর বলেন, AIMIM নেতাদের এই মনোভাব আমাদের দেশের অপমান। স্পিকারকে তাঁদের সদস্যপদ বাতিল করতে হবে।
-With IANS Inputs
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন