Assam: এখনও পর্যন্ত ডিটেনশন সেন্টারে মৃত্যু ২৯ জনের - হিমন্ত বিশ্ব শর্মা

মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন এখনও পর্যন্ত বিভিন্ন অসুস্থতার কারণে ডিটেনশন ক্যাম্পে ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২২ জন শিশু সহ নয় জন দোষী সাব্যস্ত বিদেশি মহিলা বন্দী আছেন।
Assam: এখনও পর্যন্ত ডিটেনশন সেন্টারে মৃত্যু ২৯ জনের - হিমন্ত বিশ্ব শর্মা
হিমন্ত বিশ্ব শর্মাফাইল ছবি সংগৃহীত

নয় জন মহিলা ও তাঁদের মোট ২২ জন সন্তান আসামের তিনটি ডিটেনশন ক্যাম্পে বন্দী আছে। তিনটি ডিটেনশন ক‍্যাম্পে এদের বন্দী করে রাখা হয়েছে। সোমবার আসাম বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা নিজেই একথা জানিয়েছেন। এদিন বিধানসভায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন এখনও পর্যন্ত বিভিন্ন অসুস্থতার কারণে ডিটেনশন ক্যাম্পে ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বিধানসভায় কংগ্রেস বিধায়ক শরমন আলি আহমেদের করা এক প্রশ্নের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী জানান ২২ জন শিশু সহ নয় জন দোষী সাব্যস্ত বিদেশি মহিলা বর্তমানে কোকরাঝাড়, শিলচর এবং তেজপুরের ডিটেনশন ক‍্যাম্পে বন্দী রয়েছেন। এই ২২টি শিশুর মধ্যে ২০ জনের বয়স ১৪ বছরের নীচে।

মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ‍্যের মোট ছ'টি ডিটেনশন ক‍্যাম্পে - গোয়ালপাড়া, কোকরাঝাড়, জোড়হাট, শিলচর, ডিব্রুগড় এবং তেজপুর - এই মুহূর্তে ১৮১ জন বন্দী রয়েছেন। এদের মধ্যে ৬১ জনকে বিদেশি ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি ১২০ জন বন্দীকে আদালত দোষী সাব্যস্ত করেছে এবং সাজার মেয়াদ ‌শেষ হয়ে যাওয়ার পর পরবর্তী নির্দেশের জন্য ডিটেনশন ক‍্যাম্পে অপেক্ষা করছেন তাঁরা।

তিনি আরো জানিয়েছেন,২০১৯ সালের ১০ মে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া নির্দেশ অনুযায়ী ২৭৩ জন বন্দীকে জামিনে মুক্ত করা হয়েছে। কারণ ডিটেনশন ক‍্যাম্পে এঁদের তিন বছরের বেশি সময় কাটানো হয়ে গেছে। এছাড়াও ২০২০ সালের এপ্রিল মাসে সুপ্রিম কোর্ট ও গুয়াহাটি হাইকোর্টের দুটি পৃথক নির্দেশ অনুযায়ী আরো ৪৮১ জন বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ২,৯৮,৪৭১টি সন্দেহভাজন বিদেশিদের মামলার নিষ্পত্তি করেছে ফরেইনারস ট্রাইব্যুনাল বা এফটি। এর মধ্যে ১,৩৯,৯০০ জনকে বিদেশি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং ১,৩৬,১৭৩টি মামলার এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। ৩২১ জনকে স্বদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

আসাম সরকার রাজ্যের বর্তমান কারাগার অঞ্চলের মধ্যেই ৬টি ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরি করেছে। এগুলি হল গোয়ালপাড়া, কোঁকরাঝাড়, জোড়হাট, শিলচর, ডিব্রুগড় এবং তেজপুর। এখানেই ঘোষিত বিদেশী নাগরিকদের রাখা হয়।

এর আগে গত এপ্রিল মাসে গুয়াহাটি হাইকোর্ট সুপ্রিম কোর্টের রায়-এর ভিত্তিতে আসাম পুলিশের বর্ডার উইংকে জানিয়েছিলো করোনার কারণে ঘোষিত বিদেশী, যারা দু’বছরের বেশি সময় কারাগারে আছেন তাদের আপাতত জামিনে মুক্তি দেওয়া হোক।

আসাম অ্যাকর্ড আগস্ট ১৯৮৫ অনুসারে কোনো ব্যক্তি ২৪ মার্চ ১৯৭১-এর পর আসামে প্রবেশ করলে তাঁকে বিদেশী আখ্যা দেওয়া হয়। রাজ্যের ১০০টি ফরেনার্স ট্র্যাইবুনালের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে যদি অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং তিনি যদি নিজের নাগরিকত্বের প্রমাণ না দিতে পারেন তাঁকে ‘ঘোষিত বিদেশী’ (ডিএফ) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

- with inputs from IANS

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in