● “যদি উত্তরপ্রদেশে ২০২৭ সালের বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন বিজেপি জিতে যায় তাহলে সেটাই হবে এই দেশের শেষ নির্বাচন।” মত অখিলেশ যাদবের।
● তাঁর অভিযোগ, উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি কর্মীরা জমি দখলের কাজে যুক্ত।
● অখিলেশ যাদবের আরও অভিযোগ, বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিরোধী রাজনীতিকদের হেনস্থা করা হচ্ছে।
বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি ঐক্যবদ্ধ হলেই একমাত্র বিজেপিকে হারানো সম্ভব। শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একথা জানিয়েছেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব। গতকাল কাশগঞ্জ থেকে মৈনপুরী হয়ে সাফাই যাবার পথে তিনি সাংবাদিকদের জানান, “যদি উত্তরপ্রদেশে ২০২৭ সালের বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন বিজেপি জিতে যায় তাহলে সেটাই হবে এই দেশের শেষ নির্বাচন।”
সমাজবাদী পার্টির সভাপতি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, কেন্দ্রের এবং উত্তরপ্রদেশের বিজেপি সরকারের আমলে মুদ্রাস্ফীতি বাড়ছে, অর্থনীতিতে অব্যবস্থা বাড়ছে, দুর্নীতি বাড়ছে এবং উত্তরপ্রদেশে ক্রমশ বিদ্যুৎ বিপর্যয় দেখা দিচ্ছে। এখানেই প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে ‘ডবল ইঞ্জিন সরকারের ব্যর্থতা’। তাঁর অভিযোগ, উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি কর্মীরা জমি দখলের কাজে যুক্ত। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
অখিলেশ যাদবের আরও অভিযোগ, বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিরোধী রাজনীতিকদের হেনস্থা করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে। বিজেপি নেতৃত্ব অশালীন ভাষা ব্যবহার করে রাজনৈতিক ক্ষেত্রকে কলুষিত করছেন বলেও তিনি জানান।
অখিলেশ দাবী করেন, যোগী আদিত্যনাথ আগে তাঁর নিজের বিরুদ্ধে থাকা সমস্ত মামলা তুলে নিয়েছেন এবং এরপর বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের লক্ষ্যবস্তু করেছেন।
সমাজবাদী পার্টির প্রধানের কথায় উঠে আসে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথাও। এই প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশের পরেই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হচ্ছে।
কংগ্রেসের সঙ্গে জোট প্রসঙ্গে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে অখিলেশ জানান, কংগ্রেস সাংসদ এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী জানিয়েছেন কংগ্রেস উত্তরপ্রদেশের ৪০৩ আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। আমরাও বলছি উত্তরপ্রদেশের ৪০৩ আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবো। এর অর্থ আমরা দুই রাজনৈতিক দলই নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং এটা স্পষ্ট যে আগামী নির্বাচনে আমরা ডবল শক্তি নিয়ে লড়াই করতে নামবো।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন