

মহারাষ্ট্রের বারামতী বিধানসভা কেন্দ্রটি এক সময় অবিভক্ত এনসিপির গড় হিসাবে পরিচিত ছিল। আসন্ন মহারাষ্ট্রের বিধানসভা নির্বাচনে ওই কেন্দ্রে এবার লড়াই হতে চলেছে পাওয়ার বনাম পাওয়ারের। অজিত পাওয়ারের বিরুদ্ধে ওই কেন্দ্রে এনসিপি (এসপি) প্রার্থী করেছে যুগেন্দ্র পাওয়ারকে।
পুনের বারামতী কেন্দ্রের বিধায়ক অজিত পাওয়ার। সাতবার এই কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনেও অজিতকে ওই কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে দল। বৃহস্পতিবার এনসিপি (শরদ পাওয়ার) আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য ৪৫ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে। বারামতী কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয় যুগেন্দ্র পাওয়ারকে। যিনি অজিত পাওয়ারের ভাই শ্রীনিবাস পাওয়ারের পুত্র। অর্থাৎ সম্পর্কে অজিত পাওয়ারের ভাইপো এবং শরদ পাওয়ারের নাতি।
এদিন সাংবাদিক সম্মেলন করে জয়ন্ত পাটিল এনসিপি (এসপি) -র প্রথম প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন। বারামতী নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জয়ন্ত জানান, বারামতীবাসীর দাবিতেই যুগেন্দ্রকে প্রার্থী করা হয়েছে। তিনি বলেন, "আমি স্থানীয় লোকজন এবং দলীয় কর্মীদের সাথে কথা বলেছি। তাদের মতে, যুগেন্দ্র নতুন মুখ এবং সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলতে পারেন।"
উল্লেখ্য, সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে শরদ পাওয়ারের মেয়ে সুপ্রিয়া সুলের কাছে হারতে হয়েছিল অজিত পাওয়ারের স্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ারকে। বারামতী সংসদীয় আসনে সুনেত্রা পাওয়ার ভোট পেয়েছিলেন ৫,৭৩,৯৭৯। অন্যদিকে, সুপ্রিয়া সুলে ভোট পান ৭,৩২,৩১২।
এনসিপি (এসপি) তালিকায় উল্লেখযোগ্য প্রার্থীরা হলেন - জয়ন্ত পাটিল (ইসলামপুর), জিতেন্দ্র আওহাদ (মুম্বরা-কালওয়া), অনিল দেশমুখ (কাটোল), হর্ষবর্ধন পাটিল (ইন্দাপুর) এবং প্রয়াত এনসিপি রাজনীতিবিদ আরআর পাটিলের ছেলে রোহিত পাটিল (তাসগাঁও-কাভথেমহাঙ্কল)। শরদ পাওয়ারের দলের হয়ে তাঁর আর এক নাতি রোহিত পওয়ারও এ বার বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হয়েছেন কারজ়াট-জামখেড় আসনে।
২০২৩ সালের ২ জুলাই ৯ জন অনুগামী বিধায়ককে সাথে নিয়ে অবিভক্ত এনসিপি ভেঙে বেরিয়ে আসেন অজিত পাওয়ার। রাজ্যের শাসক গোষ্ঠীতে যোগ দেন তিনি। এরপর দুটো দল হয়ে যায় এনসিপি - একটি অজিত গোষ্ঠী এবং অন্যটি শরদ গোষ্ঠী। নির্বাচন কমিশন অজিত গোষ্ঠীকে আসল এনসিপি-র তকমা দিয়েছে। এনসিপি -র নির্বাচনী প্রতীক ‘ঘড়ি’ও অজিতের দখলে রয়েছে।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন