Agnipath: অগ্নিপথ বিরোধিতায় ভারত বনধ - বাতিল ৫৩০ ট্রেন, ঝাড়খন্ডে বন্ধ স্কুল, জারি হাই অ্যালার্ট

অগ্নিপথ প্রকল্পের বিরোধিতায় সোমবার দেশজুড়ে বনধের ডাক দিয়েছে বেশ কিছু সংগঠন। যদিও গতকাল এক সাংবাদিক সম্মেলনে লেফট্যানেন্ট জেনারেল অনিল পুরি জানিয়েছেন, অগ্নিপথ প্রকল্প প্রত্যাহার করার কোনো প্রশ্ন নেই।
Agnipath: অগ্নিপথ বিরোধিতায় ভারত বনধ - বাতিল ৫৩০ ট্রেন, ঝাড়খন্ডে বন্ধ স্কুল, জারি হাই অ্যালার্ট
অগ্নিপথ বিরোধী বিক্ষোভ পাটনায়ফাইল ছবি, দ্য ওয়ারের সৌজন্যে

কেন্দ্রীয় সরকারের অগ্নিপথ প্রকল্পের বিরোধিতায় সোমবার দেশজুড়ে বনধের ডাক দিয়েছে বেশ কিছু সংগঠন। মূলত অগ্নিপথ প্রকল্প বাতিলের দাবি জানিয়ে এই বনধ। যদিও গতকাল এক সাংবাদিক সম্মেলনে লেফট্যানেন্ট জেনারেল অনিল পুরি স্পষ্টই জানিয়ে দিয়েছেন, অগ্নিপথ প্রকল্প প্রত্যাহার করার কোনো প্রশ্ন নেই।

অগ্নিপথ বিরোধিতায় বিভিন্ন সংগঠনের ডাকা ভারত বনধে সোমবার এখনও পর্যন্ত প্রায় ৫৩০টি ট্রেন বাতিল করতে হয়েছে। পুলিশের কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীর কারণে দিল্লির বিভিন্ন অঞ্চলে ট্র্যাফিক জ্যামের খবর পাওয়া গেছে। দিল্লি নয়দা ডিরেক্ট ফ্লাইওয়ে এবং দিল্লি গুরগাঁও এক্সপ্রেসওয়েতেও দীর্ঘ গাড়ির লাইন। এদিনও অগ্নিপথ বিরোধিতায় আন্দোলনকারীদের পক্ষে সমর্থন জানিয়ে জন্তর মন্তরে ধর্নায় বসেছে কংগ্রেস। এই ধর্নায় উপস্থিত আছেন মল্লিকার্জুন খাড়গে, ভূপেশ বাঘেল, অশোক গেহলট প্রমুখ প্রথমসারির কংগ্রেস নেতৃত্ব।

অগ্নিপথ বিরোধী বিক্ষোভের কারণে সোমবার দেশজুড়ে প্রায় ৫৩০টি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। রেলওয়ে মন্ত্রক সূত্রে জানা গেছে বাতিল হওয়া ট্রেনের মধ্যে ৩৪৮টি প্যাসেঞ্জার ট্রেন, ১৮১টি মেল ও এক্সপ্রেস ট্রেন। এছাড়াও চারটি মেল/এক্সপ্রেস ট্রেন এবং ছটি প্যাসেঞ্জার ট্রেনের যাত্রাপথ নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে। দিল্লির শিবাজী ব্রীজ স্টেশনে বিক্ষোভকারীরা একটি ট্রেন আটকে দিয়েছে।

এদিন ভারত বনধের দিকে লক্ষ্য রেখে বিহার সরকারের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও আঁটসাঁটো করা হয়েছে। অগ্নিপথ বিরোধী বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত বিহারেই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সর্বাধিক। এখনও পর্যন্ত বিহারের কুড়িটি জেলায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে রাখা হয়েছে। পার্শ্ববর্তী রাজ্য ঝাড়খন্ডে এদিন ভারত বনধের কারণে সমস্ত স্কুলে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও নবম এবং একাদশ শ্রেণির সমস্ত পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।

উত্তরপ্রদেশে ভারত বনধের মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাঞ্জাবে হিংসা আটকাতে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপের ওপর নজরদারি চালানো হচ্ছে। হরিয়ানায় চাকরি প্রত্যাশীদের পক্ষ থেকে ফতেহাবাদের লাল বাতি চকে অবরোধ করা হয়। এদিন হরিয়ানা থেকে যন্তরমন্তরের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া কংগ্রেস কর্মীদের একটি দলকে আটক করে পুলিশ। ভারত বনধের প্রেক্ষিতে কেরালা, পশ্চিমবঙ্গ, তেলঙ্গানা, রাজস্থানে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in