ত্রিপুরা সরকারকে সমস্যা মেটাতে চারদিনের চূড়ান্ত সময়সীমা বেআইনি বরখাস্ত ১০,৩২৩ জন শিক্ষকের

ত্রিপুরা সরকারকে সমস্যা মেটাতে চারদিনের চূড়ান্ত সময়সীমা বেআইনি বরখাস্ত ১০,৩২৩ জন শিক্ষকের
ত্রিপুরায় আন্দোলনরত ১০৩২৩ বরখাস্ত শিক্ষকরাফাইল ছবি সংগৃহীত

বিপ্লব দেবের সরকারকে চারদিনের চূড়ান্ত সময়সীমা দিলেন বরখাস্ত হওয়া ১০,৩২৩ জন শিক্ষক। এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সরকার তাঁদের বেআইনিভাবে বরখাস্ত হওয়া সম্পর্কিত সমস‍্যার সমাধান না করলে আরো জোরদার আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, গত প্রায় ৫০ দিন ধরে নিজেদের চাকরি পুনরুদ্ধারের দাবিতে আন্দোলন করছেন এই শিক্ষকরা।

বরখাস্ত ১০,৩২৩ জন শিক্ষকের সংগঠন, জয়েন্ট মুভমেন্ট কমিটি (জেএমসি)-র পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে লেখা একটি চিঠিতে তাঁরা জানিয়েছেন, গত ৪৫ দিন ধরে নিজেদের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে এই আন্দোলন চালাচ্ছেন তাঁরা। তাঁদের একটাই লক্ষ্য - নিজেদের চাকরি পুনরুদ্ধার করা, যা ত্রিপুরা সরকারের শিক্ষা বিভাগ অবৈধভাবে কেড়ে নিয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, "... এতদিনের অসহায় আন্দোলনের পরেও জেমসি-র ১০,৩২৩ জন শিক্ষকের পক্ষ থেকে দপ্তরের কাছে জমা দেওয়া স্মারকলিপির জবাব দেওয়া উপযুক্ত বলে মনে করেন না বিভাগের সম্মানীয় সচিব ও ডিরেক্টর মহাশয়। জেএমসি-র অনুমান এই জটিল সমস্যার সমাধান এখনও অপ্রকাশিত রয়েছে, যার কোনো সমাধান নেই।"

সাংবাদিকদের সামনে জেএমসি নেতা অজয় দেববর্মা জানিয়েছেন, তাঁরা শিক্ষাসচিব সৌম‍্য গুপ্তের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন এবং অবৈধ ইস্তফা সংক্রান্ত বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করেছেন। এক সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষাসচিবকে এর জবাব দিতে বলা হয়েছে। অজয় দেববর্মা বলেছেন, "আমরা দীর্ঘদিন শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনের মাধ্যমে উত্তরের অপেক্ষায় ছিলাম। এখন আমাদের আন্দোলন ৪৭ দিনে পড়েছে। আগামী ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত আমরা অপেক্ষা করবো। এরপরেও সমাধান খুঁজতে সরকার ব‍্যর্থ হলে মহাত্মা গান্ধীর আদর্শ থেকে আন্দোলন সরিয়ে এনে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, ভগৎ সিংয়ের দেখানো পথে আন্দোলন করবো আমরা। গণআন্দোলন করবো আমরা, যা ঐতিহাসিক হবে। শিক্ষকরা জাতীয় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করবেন, যার জন্য দায়ী থাকবে রাজ‍্য ও প্রশাসন।"

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in