UK PM: দৌড়ে এগিয়ে ঋষি সুনক, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর পদ এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা!

সোমবারের (১৮ জুলাই) আস্থাভোটে কনজারভেটিভ পার্টির ১১৫ জন আইনসভার সদস্যের ভোট পেয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি।
ঋষি সুনক ও বরিস জনশন
ঋষি সুনক ও বরিস জনশনছবি সংগৃহীত

ব্রিটেনের নয়া প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে গিয়ে, এবারে শেষ দুই প্রার্থীর তালিকায় পৌঁছলেন ঋষি সুনক। সোমবারের (১৮ জুলাই) আস্থাভোটে কনজারভেটিভ পার্টির ১১৫ জন আইনসভার সদস্যের ভোট পেয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি।

বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের উত্তরসূরি কি তবে ঋষি সুনক! তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। কারণ, শেষ দফা ভোটে ৪ জন প্রতিপক্ষ থাকলেও ভোটে দ্বিতীয় স্থানে থাকা প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থীর সঙ্গে ঋষির ভোটের খুব বেশি ফারাক নেই। এই বিষয়ে রাজনৈতিক মহলের বিশ্লেষকের দাবি, প্রতিপক্ষ কমলে ভোট শেষ দুই প্রার্থীর মধ্যে ভাগ হবে, তখনই বদলে যেতে পারে ফলাফল।

ব্রিটেনের বিদেশ সচিব, লিজ ট্রাস তুলনায় ভালো অবস্থানে রয়েছেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাঁদের ধারণা, চতুর্থ স্থানে থাকা বিদ্রোহী সাংসদ কেমি ব্যাডেনোচ লড়াই থেকে ছিটকে গেলে, কেমির সমস্ত ভোটই পেতে পারেন ট্রাস। সে ক্ষেত্রে তিনি আচমকাই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে শেষ ২ নম্বরে চলে আসতে পারেন।

প্রসঙ্গত, শেষ দফায় ঋষির প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ৮২। লিজ ট্রাস পান ৭১টি ভোট, কেমি ব্যাডেনোচ পান ৫৮টি ভোট। সবচেয়ে কম ভোট পেয়ে দৌড় থেকে বাদ পড়েছেন টম তুগেনধাত। তিনি ৩১টি ভোট পেয়েছিলেন। ঋষি সুনক আপাতত এগিয়ে থাকলেও, তাঁর লড়াই ক্রমেই কঠিন হয়েছে, কারণ এখন প্রতিদ্বন্দ্বী মাত্র ৪জন।

এদিকে, আগামী বুধবার (২০ জুলাই) পরবর্তী দফার ভোট ব্রিটেনে। ওইদিনই নির্ধারিত হবে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রতিযোগিতায় শেষ দু’জন প্রার্থী কারা হতে চলেছেন। আর অন্যদিকে, দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে কনডারভেটিভ দলের অভ্যন্তরে। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে থাকা প্রতিপক্ষগণ নিজেদের হয়ে প্রচার করতে গিয়ে অপর প্রার্থীকে দোষারোপ করা শুরু করেছেন। ফলে কনজারভেটিভ পার্টির নেতৃত্বরা বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন। দলের মতে, এই ধরনের ঘটনা দেশের জনতার সামনে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে পারে, যার প্রভাব পড়তে পারে ভোটের ওপর।

উল্লেখ্য, বিরোধী পার্টিও (লেবার পার্টি) বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তবে, একই সঙ্গে তাঁরা বরিস জনসনকে অবিলম্বে অপসারণের দাবিও তুলেছে। জনসন জুলাইয়ের শুরুতে প্রধানের পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। এরপর কানজারভেটিভ পার্টির তরফে অবশ্য কঠোরভাবে জানানো হয়েছে, পরবর্তী উত্তরসূরী কে হবেন তা চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত বরিসই থাকবেন প্রধানমন্ত্রী।

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in