Bangladesh: দুর্গাপুজো উপলক্ষে ভারতে ২ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানি শুরু
বাংলাদেশ থেকে ইলিশ আসছে ভারতেছবি সংগৃহীত

Bangladesh: দুর্গাপুজো উপলক্ষে ভারতে ২ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানি শুরু

২০ সেপ্টেম্বর এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ৫২টি প্রতিষ্ঠানকে ২,০৮০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ৪০ মেট্রিক টন করে ইলিশ রপ্তানি করতে পারবে।

আগামী ১১ অক্টোবর আসন্ন দূর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে দুই হাজার টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়ে গত ২০ সেপ্টেম্বর এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে ৫২টি প্রতিষ্ঠানকে ২ হাজার ৮০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ৪০ মেট্রিক টন করে ইলিশ রপ্তানি করতে পারবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে কিছু শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি ইলিশ রপ্তানি করা যাবে না। এ অনুমতির মেয়াদ আগামী ১০ অক্টোবর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। তবে সরকার মৎস্য আহরণ ও পরিবহনের ক্ষেত্রে কোন প্রকার বিধি-নিষেধ আরোপ করলে এবং তা কার্যকর হলে এ অনুমতির মেয়াদ সমাপ্ত হবে।

চলতি বছরের ১০ অক্টোবরের মধ্যে ৫২ জন ব্যবসায়ী ৪০ টন করে মোট দুই হাজার ৮০ টন ইলিশ রপ্তানি করবেন। যশোর জেলার বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে পেট্রাপোল হয়ে এসব ইলিশ ভারতে যাবে।

গত কয়েক বছর ধরে দেশের ব্যবসায়ীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ভারতে ইলিশ মাছ রপ্তানির অনুমোদন দিয়ে আসছে সরকার। ২০২০ সালেও ১ হাজার ৪৫০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ভারতের ব্যবসায়ীরা একে অপরের সঙ্গে সমন্বয় করে এসব ইলিশ মাছ নিয়ে থাকেন। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ভারত সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো হস্তান্তর হয় না।

সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি শাখার উপসচিব তানিয়া ইসলাম রপ্তানিকারকদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে ২০০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। ৫২ জন রপ্তানিকারক ৪০ টন করে ইলিশ রপ্তানির সুযোগ পাবেন। কোনো ব্যবসায়ী অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি রপ্তানি করতে পারবেন না।

২০১২ সাল থেকে ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধ থাকলেও ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পশ্চিমবঙ্গে ৫০০ টন ইলিশ রপ্তানি করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালে ১ হাজার ৪৫০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছিল সরকার। চলতি বছর অনুমোদন দিয়েছে ২০০০ টন।

অন্যদিকে ভারতে ইলিশ রপ্তানির বিষয়টি ইতোমধ্যে বাংলাদেশে ইলিশের দাম বেড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রভাব রাখছে। গত কয়েক বছরের তুলনায় এবছর ইলিশ কম ধরা পড়েছে। অন্যদিকে গত বছরের তুলনায় এবার রপ্তানির পরিমাণও বৃদ্ধি করা হয়েছে। এভাবে দেশীয় বাজারের চাহিদা না মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করার ফলে বাজারে ইলিশের দাম বেড়ে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষতার নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে এসব বিষয়ে সাধারণ ক্রেতারা তাদের ক্ষোভের কথা জানিয়েছেন।

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in