Afghanistan: তালিবানি সরকারকে স্বীকৃতি নয় - কড়া অবস্থান তাজিকিস্তানের

তাজিকিস্তান সরকার এবং প্রেসিডেন্ট ইমোমালি রহমান কড়া ভাষায় আফগানিস্তানে তালিবানি সরকারের বিরোধিতা করছে। ব্রুস পানিয়ার তাজিকিস্তিনের এই অবস্থান নিয়ে কুইশলক ওভোজি ব্লগে লিখেছেন।
Afghanistan: তালিবানি সরকারকে স্বীকৃতি নয় - কড়া অবস্থান তাজিকিস্তানের
তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইমোমালি রহমানফাইল ছবি - এ কে প্রেস-এর সৌজন্যে

আফগানিস্তানের সীমান্ত ঘিরে থাকা দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র ব্যতিক্রম তাজিকিস্তান। যারা এখনও কড়া ভাবে তালিবানিদের সমালোচনা করে চলেছে। তাজিকিস্তান সরকার এবং প্রেসিডেন্ট ইমোমালি রহমান কড়া ভাষায় আফগানিস্তানে তালিবানি সরকারের বিরোধিতা করছে। ব্রুস পানিয়ার তাজিকিস্তিনের এই অবস্থান নিয়ে কুইশলক ওভোজি ব্লগে লিখেছেন।

অবশ্য তাজিকিস্তানের পক্ষ থেকে চরম বিরোধিতার রাস্তা নিলেও পাকিস্তান খোলাখুলি সমর্থন জানিয়েছে তালিবানি সরকারকে।

অন্যদিকে চীন, ইরান, উজবেকিস্তান এবং তুর্কমেনিস্তান সরাসরি জানিয়েছে, আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়ে তাঁদের কোনো বক্তব্য নেই। বরং কোনো সহযোগিতার প্রশ্ন উঠলে ভেবে দেখা যেতে পারে।

তাজিকিস্তানের রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ খইরুল্লো মিরসাইডোভ জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ইমোমলি রহমান রাশিয়ার পরামর্শ ছাড়া কখনোই এরকম মন্তব্য করেননি। আমেরিকা আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যাবার পর রাশিয়া কখনোই চায় না আফগানিস্তানের ওপর পাকিস্তানের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকুক।

গত ২৫ আগস্ট পাকিস্তানের সঙ্গে এক বৈঠকে তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট রহমান পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী শাহ মহম্মদ কুরেশিকে জানান, তাজিকিস্তান কখনোই আফগানিস্তানের তালিবানি সরকারকে স্বীকৃতি দেবেনা। এই ঘটনার পরের দিনই ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট রহমানকে প্যারিস সফরে যাওয়ার আহ্বান জানান।

কুইশলক ওভোজি ব্লগ অনুসারে, খোলাখুলি আফগানিস্তানের তালিবানিদের বিরোধিতা করার পেছনে অবশ্যই রহমানের কোনো উদ্দেশ্য আছে। ২০ বছর আগে তালিবানিরা যখন আফগানিস্তান দখলে রেখেছিলো সেইসময় তাজিকিস্তানের নেতা ছিলেন রহমান। এই মুহূর্তে রহমান ছাড়া আর তাজিকিস্তানে আর কোনো নেতৃত্ব নেই যিনি ২০ বছর আগের তালিবানি শাসন দেখেছেন।

এছাড়াও আফগানিস্তানের তাজিক জনগোষ্ঠীকে সমর্থন দেন রহমান। এই তাজিক জনগোষ্ঠী ১৯৯০ দশকে তালিবানিদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলো। এমনকি পঞ্জশিরে তালিবানি বিরোধীদের সমর্থন যোগাচ্ছেন তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট। আফগানিস্তানের জনসংখ্যার প্রায় ২৫ শতাংশ তাজিক জনগোষ্ঠীর। যাঁদের সঙ্গে তাজিকিস্তানের মানুষদের যথেষ্ট ভালো যোগাযোগ আছে।

ওই ব্লগে আরও জানানো হয়েছে, গত ১১ সেপ্টেম্বর তাজিকিস্তানের মুখ্য ইসলামী ধর্মগুরু সাইদমুকুররম আবদুলকোদিরজোদা দেশের সংবাদ সংস্থা খোভারকে জানিয়েছেন স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তালিবানিদের সঙ্গে কোনো সমঝোতা গড়ে তোলার কোনো প্রশ্ন নেই। তিনি আরও জানিয়েছেন, ইসলাম মানে ভ্রাতৃত্ববোধ। কিন্তু এখন তালিবানিরা নিজেদের ইসলামিক স্টেট বলে দাবি করে মহিলা, শিশু, ভাইদের হত্যা করছে।

- with inputs from IANS

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.