

উত্তরপ্রদেশের বারাবাঁকিতে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সভাস্থলের কাছে ষাঁড় ছেড়ে দিয়েছেন কৃষকরা বলে দাবি করলেন কৃষক নেতা রামনদীপ সিং মান এবং উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেস। লখনৌ থেকে মাত্র ৪০ কিলোমিটার দূরে এই ঘটনাটি ঘটেছে। মঙ্গলবারের এই ঘটনায় যোগীর সভামঞ্চের কাছে শতাধিক ষাঁড় ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনাটি ট্যুইট করে জানিয়েছেন কৃষক নেতা রামনদীপ সিং মান। একই ভিডিও ট্যুইট করা হয়েছে উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেস ট্যুইটার হ্যান্ডেল থেকে। যদিও এই মুহূর্তে রামনদীপ সিং মান-এর ট্যুইটটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এদিনের ট্যুইটে কৃষক নেতা রামনদীপ সিং মান লেখেন, “বারাবাঁকিতে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সভা শুরুর আগে কৃষকরা শতাধিক ষাঁড় সেখানে ছেড়ে দেয়। এই গবাদি পশুগুলোকে নিয়ে কৃষকরা কী করবে তা বুঝতে পারছে না।” তিনি আরও বলেন, গত পাঁচ বছরে উত্তরপ্রদেশ সরকার এই বিষয়ে কোনো সমাধান সূত্র খুঁজে পায়নি। কৃষকরা দেখতে চায় সভার আগে বিজেপি কীভাবে এই সমস্যার সমাধান করে।
এই প্রসঙ্গে সরাসরি কিছু না বললেও এক ট্যুইট বার্তায় মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ জানিয়েছেন, আগামী ১০ মার্চের পরে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যে সব গবাদি পশু দুধ দেয় না তাদের গোবর দিয়ে যাতে উপার্জনের ব্যবস্থা করা যায় সেই বিষয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।
এই ঘটনায় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে একটি ভিডিও ট্যুইট করা হয়েছে। অন্য এক ট্যুইট বার্তায় জানানো হয়েছে, গত পাঁচ উত্তরপ্রদেশে বিজেপির সদস্য সংখ্যা যত বেড়েছে তার পাঁচ গুণ বেড়েছে ষাঁড়ের সংখ্যা। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ওরা তত বলছে এই বিষয়ে সমাধান খুঁজে বের করা হবে। বিজেপি কর্মীরা এই কথা শুনে বিস্মিত। এই বিজেপি সরকার এবং ষাঁড়েদের যাওয়া উচিৎ।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন