Uttar Pradesh: বুন্দেলখন্ডে রক্তাল্পতার শিকার ৪৫.৪১% মহিলা, উত্তরপ্রদেশে ৫০.১%

মহিলাদের রক্তাল্পতার ক্ষেত্রে জাতীয় গড় হল ৫৩.৮ শতাংশ, যেখানে উত্তরপ্রদেশে এই হার ৫০.১ শতাংশ। যে তথ্য অনুসারে এই অঞ্চলটি তুলনামূলকভাবে ভাল অবস্থানে আছে।
Uttar Pradesh: বুন্দেলখন্ডে রক্তাল্পতার শিকার ৪৫.৪১% মহিলা, উত্তরপ্রদেশে ৫০.১%
ছবি প্রতীকীগ্রাফিক্স - সুমিত্রা নন্দন

উত্তরপ্রদেশের বুন্দেলখণ্ড অঞ্চলে ১৫-৪৯ বছর বয়সী প্রায় ৪৫.৪১ শতাংশ মহিলার আয়রনের ঘাটতি পাওয়া গেছে। সর্বশেষ জাতীয় পারিবারিক স্বাস্থ্য সমীক্ষা (NFHS) অনুসারে, মহিলাদের রক্তাল্পতার ক্ষেত্রে জাতীয় গড় হল ৫৩.৮ শতাংশ, যেখানে উত্তরপ্রদেশে এই হার ৫০.১ শতাংশ। যে তথ্য অনুসারে এই অঞ্চলটি তুলনামূলকভাবে ভাল অবস্থানে আছে।

রক্তাল্পতা শুধুমাত্র স্বাস্থ্যজনিত সমস্যা নয়। এই সমস্যা মহিলাদের মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যাগুলির জন্যও গুরুতর উদ্বেগের কারণ। যদিও, বান্দা জেলা বাদে বুন্দেলখণ্ড অঞ্চলের সমস্ত জেলার পরিসংখ্যান ২০১৫-১৬ সালে করা পূর্ববর্তী সমীক্ষার থেকে উন্নত হয়েছে।

সমীক্ষা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, ঝাঁসিতে এই বয়সের ৪১.৩ শতাংশ মহিলা রক্তাল্পতায় ভুগছেন, যেখানে আগে এই সংখ্যা ছিল ৫১.৩ শতাংশ৷ চিত্রকূটে রক্তাল্পতায় ভোগা মহিলাদের হার ৪৬.৬ শতাংশ। যা আগে ছিলো ৬১.৪ শতাংশ। ললিতপুরে এখন রক্তাল্পতায় ভোগা মহিলার হার ৩৮.১ শতাংশ, যা আগের ৪৯.৮ শতাংশর থেকে উন্নত৷

সমীক্ষা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে চিত্রকূট এবং মাহোবা জেলাগুলির অবস্থা অত্যন্ত উন্নত হয়েছে এবং বান্দা বাদে অন্যান্য জেলায় পরিসংখ্যান বৃদ্ধি পেয়েছে৷

বিশেষজ্ঞদের মতে, রক্তাল্পতা কিশোর-কিশোরীদের আচরণে পরিবর্তন আনে। এটি তাদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা, রাগ এবং ঘন ঘন মাথাব্যথার মূল কারণ।

একজন সিনিয়র স্বাস্থ্য আধিকারিক জানিয়েছেন - "অ্যানিমিক মহিলাদের আত্মসম্মান বোধের অভাব ঘটে এবং তারা পড়ালেখায় মনোযোগ দিতে পারে না। এটি গুরুত্বপূর্ণ যে প্রাথমিক পর্যায়ে হিমোগ্লোবিন পরীক্ষা করে এটি শনাক্ত করা উচিত। যা ওষুধ এবং সঠিক খাদ্যের দ্বারা উন্নত করা যেতে পারে। এমন নয় যে শুধুমাত্র দরিদ্র পরিবারের মেয়েরাই রক্তাল্পতায় ভোগে। সমস্ত জেলা হাসপাতাল, পিএইচসি এবং সিএইচসিগুলিতে বিনামূল্যে আয়রন যুক্ত ওষুধ এবং রক্ত ​​পরীক্ষা করার সুবিধা পাওয়া যায়। এছাড়াও, স্কুলগুলিতে নিয়মিত সচেতনতা শিবিরও পরিচালিত হচ্ছে।"

তিনি আরও জানান যে হাসপাতালে এবং অঙ্গনওয়াড়ি, আশা এবং এএনএম কর্মীদের কাছে আয়রন ট্যাবলেট পাওয়া যায়। স্কুলে ট্যাবলেটও দেওয়া হচ্ছে। যার মধ্যে "লাল ট্যাবলেটটি গর্ভবতী মহিলাদের জন্য যা গর্ভাবস্থায় ১৮০ দিনের জন্য খেতে হয় এবং নীল ট্যাবলেটটি ১০-১৯ বছর বয়সী মেয়েদের জন্য সপ্তাহে একবার খেতে হয়।"

ছবি প্রতীকী
World Heart Day 2021: হৃদরোগের ঝুঁকিতে ৫০-এর কমবয়সী ৭৫ শতাংশ ভারতীয়

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in