

কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বশ্রেষ্ঠ কাজ করেছে ভারত। মঙ্গলবার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের ১৭তম প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে এমনই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, 'কোনও নিরপেক্ষ সংস্থা মূল্যায়ন করলে বলবে যে, কোভিডের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ কাজ করেছে ভারত। ১৩০ কোটি জনসংখ্যা, সীমিত সম্পদ, সীমিত পরিকাঠামো সত্ত্বেও দেশে মৃত্যুর হার বিশ্বে সবচেয়ে কম ছিল। প্রতি মিলিয়নের নিরিখে কোভিড আক্রান্তের হারও অন্য দেশের তুলনায় ভারতে কম ছিল।'
কোভিড অতিমারির দ্বিতীয় ঢেউয়ে দেশে দৈনিক মৃত্যু সংখ্যা অনেকটাই বেড়ে যায়। তার উপর আক্রান্তের সংখ্যা লাগামছাড়া হওয়ায় দেশের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ভেঙে পড়ে একপ্রকার। অক্সিজেনের অভাবে হাহাকার শুরু হয়। আক্রান্ত ও মৃত্যুর নিরিখে ভারত একসময় একনম্বরে উঠে আসে। গোটা বিশ্বে মোদির ভাবমূর্তি নষ্ট হয়।
বর্তমানে কোভিড পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। যথাযথ কোভিড বিধি মেনে চললে তৃতীয় ঢেউ আসার সম্ভাবনা কম বলে আশ্বাস দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এরই মধ্যে প্রশংসা বাণী শোনালেন অমিত শাহ। ভালো কাজের জন্য এনডিএমএর প্রশংসা করলেন তিনি। ভারতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার গতিপথ সম্পর্কেও বক্তব্য রাখার পাশাপাশি তিনি দুর্যোগ এড়ানো এবং প্রাণহানি রোধের জন্য বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি চালু করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
শাহর কথায়, এনডিএমএ, এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফ গত ১৭ বছরে দেশে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ইতিহাস বদলে দিয়েছে। ১.৩ বিলিয়নেরও বেশি মানুষের বসবাস ভারতে। দেশের প্রতিটি রাজ্যের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য আলাদা। সেখানে জীবন ও পরিকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি রোধে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অবলম্বন করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন