

গতকালের মতো আজও করোনায় দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা ৪ হাজারের ঊর্ধ্বে রইলো দেশে। তবে দৈনিক সংক্রমণ সামান্য কমেছে। দৈনিক সংক্রমণে শীর্ষে রয়েছে তামিলনাড়ু। লকডাউন জারি সত্ত্বেও সংক্রমণ বাড়ছে সেখানে। ২৪ ঘন্টায় দেশে সুস্থ হয়েছেন সাড়ে তিন লক্ষাধিক রোগী। দেশে সুস্থতার হার ৮৭.৭৬ শতাংশ।
শনিবার সকালে প্রকাশিত কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শেষ ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ২ লক্ষ ৫৭ হাজার ২৯৯ জন, গতকাল এই সংখ্যাটা ছিল প্রায় ২.৫৯ লক্ষ। আজকের পরিসংখ্যান নিয়ে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৯ হাজার ২৯০। ২৪ ঘন্টায় দেশে মারা গেছেন ৪ হাজার ১৯৪ জন, গতকাল এই সংখ্যাটা ছিল ৪ হাজার ২০৯। এখনও পর্যন্ত দেশে কোভিডে মোট মৃত্যু হয়েছে ২ লক্ষ ৯৫ হাজার ৫২৫ জনের। এই মুহূর্তে দেশে মোট সক্রিয় কেস ২৯ লক্ষ ২৩ হাজার ৪০০, যা গতকালের তুলনায় ১.০৪ লক্ষ কম। একদিনে সুস্থ হয়েছেন ৩.৫৭ লক্ষ রোগী। মোট সুস্থ ২ কোটি ৩০ লক্ষ ৭০ হাজার ৩৬৫। শেষ ২৪ ঘন্টায় রেকর্ড পরীক্ষা হয়েছে দেশে, ২০ লক্ষ ৬৬ হাজার ২৮৫।
২৪ ঘন্টায় সবথেকে বেশি আক্রান্ত ধরা পড়েছে তামিলনাড়ুতে। একদিনে সেখানে ৩৬ হাজার ১৮৪ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন এবং মৃত্যু হয়েছে ৪৬৭ জনের। রাজ্যে সর্বাধিক দৈনিক মৃত্যু এটা। রাজ্যে সক্রিয় কেস ২.৭৪ লক্ষ।
এরপর রয়েছে কর্ণাটক। ২৪ ঘন্টায় সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ৩২ হাজার ২১৮ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩৫৩ জনের। দেশের মধ্যে সর্বাধিক সক্রিয় রোগী এখানেই, ৫.১৪ লক্ষ। রাজ্যে লকডাউনের মেয়াদ বাড়িয়েছে ইয়েদুরাপ্পার সরকার।
কেরলে ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৯ হাজার ৬৭৩ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১৪২ জনের। করোনাকালে রাজ্যে সর্বাধিক দৈনিক মৃত্যু এটা। সেখানে সক্রিয় কেসের সংখ্যা ৩.০৬ লক্ষ। রাজ্যে আগামী ২৩ মে পর্যন্ত লকডাউন জারি করা হয়েছে।
মহারাষ্ট্রে শেষ কয়েকদিনে দৈনিক সংক্রমণ কমলেও মৃত্যুর সংখ্যা এখনও বেলাগাম। ২৪ ঘন্টায় সেখানে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২৯ হাজার ৬৪৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ২৬৪ জনের। রাজ্যে এই মুহূর্তে সক্রিয় কেস ৩.৬৯ লক্ষ। করোনার কারণে রাজ্যে মোট মৃত্যু হয়েছে ৮৬ হাজার ৬১৮ জনের।
এই চারটি রাজ্য ছাড়াও অন্ধ্রপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, উত্তরপ্রদেশ এবং রাজস্থান - এই পাঁচটি রাজ্যের পরিস্থিতিও অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এই পাঁচটি রাজ্যে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা যথাক্রমে ২০,৯৩৭, ২০,৮৪৭, ১২,৫২৩, ৭,৬৮২ এবং ৬,২২৫।
২৪ ঘন্টায় দিল্লি, পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ ও কেরলে কোভিডে প্রাণ হারিয়েছেন যথাক্রমে ২৫২, ১৭২, ১৭২, ১৫৯ ও ১৪২ জন।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন