

পূর্ব বর্ধমান জুড়ে বাড়ছে এইচআইভি আক্রান্তের সংখ্যা। এই মুহূর্তে প্রায় ৯০ জন এইচআইভি পজিটিভ রুগিকে শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধে বর্ধমান শহরেরই ৩০ জন বাসিন্দা রয়েছেন। জানা গেছে, আক্রান্তরা সকলেই উচ্চশিক্ষিত এবং সুপ্রতিষ্ঠিত। বেশিরভাগই সমকামী।
পূর্ব বর্ধমান জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন এক যুবক। তাঁর রক্ত পরীক্ষা করে HIV পজিটিভ পাওয়া যায়। এরপর ওই যুবকের ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে কারা এসেছিলেন, তা নিয়ে খোঁজখবর করা হয়। তাতেই একের পর এক এইচআইভি পজিটিভ ব্যক্তির সন্ধান মিলেছে।
জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘’সকলেই শিক্ষিত এবং আর্থিক ভাবে সচ্ছল। অনিরাপদ যৌন আচরণের কারণে সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে।” বর্ধমান এবং কালনা শহর এলাকায় এইচআইভি সংক্রমণের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি। জেলা প্রশাসনের তদন্তে উঠে এসেছে, সমাজমাধ্যমে পরিচয়ের পর অনিরাপদ যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে সংক্রমণ ছড়িয়েছে। এই যৌন র্যাকেটের জাল গোটা দেশে ছড়িয়ে রয়েছে বলে দাবি তাদের।
জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জয়রাম হেমব্রম জানিয়েছেন, টেস্টের সংখ্যা বাড়ার কারণের আক্রান্তের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ১ লক্ষ ১২ হাজার টেস্ট করা হয়েছিল। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ১ লক্ষ ৪৫ হাজার টেস্ট করা হয়েছে। ফলে পজেটিভের সংখ্যাও বেড়েছে। তবে বার বার সচেতনতামূলক প্রচার সত্ত্বেও অনেকে ঝুঁকিপূর্ণ যৌন আচরণ থেকে বিরত থাকছেন না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন