অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি জার্মানি, ইটালি, ফ্রান্সে

আগেই অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ডেনমার্ক, নরওয়ে, আয়ারল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস। এবার জার্মানি, ইতালি, ফ্রান্স এবং স্পেনও এই টিকার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি জার্মানি, ইটালি, ফ্রান্সে
ছবি প্রতীকী সংগৃহীত
Published on

অ্যাস্ট্রাজেনেকা সোমবারই দাবি করেছিল, তাদের টিকা ব্যবহারে রক্ত জমাট বাঁধার কোনও প্রামাণ্য তথ্য নেই। এত আশ্বাসের পরেও বহু দেশই বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। আগেই অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ডেনমার্ক, নরওয়ে, আয়ারল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং নেদারল্যান্ডস। এ বার সেই তালিকায় জুড়ল ইউরোপের চার বড় দেশের নাম। জার্মানি, ইতালি, ফ্রান্স এবং স্পেনও এই টিকার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এই দলে রয়েছে পর্তুগাল, স্লোভেনিয়া এবং লাতভিয়া-ও।

বলতে গেলে গোটা ইউরোপেই অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা ব্যবহারে ছেদ পড়তে চলেছে বলে আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। শুধু ইউরোপই নয়, এই টিকা আর ব্যবহার করা হবে কি না, তা নিয়েও চিন্তাভাবনা শুরু করে দিয়েছে ইন্দোনেশিয়া। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) এই টিকার ব্যবহার বন্ধ না করার পরামর্শ দিয়েছে দেশগুলিকে। তাদের দাবি, টিকা সম্পূর্ণ নিরাপদ। অহেতুক আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। মঙ্গলবার গোটা বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা করার জন্য টিকা-নিরাপত্তা নিয়ে বৈঠকে বসবেন হু-র বিশেষজ্ঞরা।

জার্মানির ভ্যাকসিন রেগুলেটর পল এরলিক ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, এটি কোনও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়। ফ্রান্সের তরফে জানানো হয়েছে, আপাতত ভ্যাকসিনের ওপর স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। ইটালি জানিয়েছে, সতর্কতা অবলম্বনের জন্যই ভ্যাকসিন দেওয়া বন্ধ রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ইটালির বিভিন্ন জায়গায় ভ্যাকসিন নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এক জনের মৃত্যুর খবর আসার পরই ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৬০০টি ডোপ বাজেয়াপ্ত করা হয়। হু- জানিয়েছে, 'আমরা চাই না মানুষ বিষয়টি নিয়ে আতঙ্কিত হন। অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা বন্ধ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে দেশগুলোকে। রক্ত জমাট বাঁধার যে অভিযোগ উঠেছে এই সংস্থার টিকার বিরুদ্ধে, এখনও পর্যন্ত এই ঘটনার সঙ্গে টিকার কোনও সম্পর্ক খুঁজে পাইনি আমরা।'

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in