Arghya Sen: প্রয়াত প্রবাদপ্রতিম রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী অর্ঘ্য সেন

People's Reporter: রবীন্দ্রসংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৯৭ সালে তাঁকে ভারত সরকার সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার দেয়। পরে তিনি 'টেগোর ফেলো' সম্মানে ভূষিত হন।
প্রয়াত প্রবাদপ্রতিম রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী অর্ঘ্য সেন
প্রয়াত প্রবাদপ্রতিম রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী অর্ঘ্য সেনফাইল ছবি
Published on

প্রয়াত রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী অর্ঘ্য সেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তাঁর গলায় রবীন্দ্রনাথের গানের যে মাধুর্য - তা আজও প্রজন্মের পর প্রজন্মকে মুগ্ধ করে চলেছে। কিংবদন্তির মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ সঙ্গীত মহল। শোক প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বেশ কিছু দিন ধরেই বার্ধক্যজনিত কারণে অসুস্থ ছিলেন শিল্পী অর্ঘ্য সেন। বুধবার সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর কণ্ঠে ‘আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে’ বা ‘আমার মাথা নত করে দাও’—এই গানগুলো আজও শ্রোতার মনে অনুরণিত হয়। 

১৯৩৫ সালের ১১ নভেম্বর, বাংলাদেশের ফরিদপুরে মামার বাড়িতে জন্ম অর্ঘ্য সেনের। বাবা হেমেন্দ্রকুমার সেন ছিলেন কৃষিবিজ্ঞানের শিক্ষক, আর মা বিন্দুদেবীর আগ্রহ ছিল সংগীতচর্চায়। সেই সূত্রে ছোট থেকেই সংগীতচর্চার সাথে যুক্ত ছিলেন অর্ঘ্য সেন। পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ফরিদপুরে পড়াশোনা করে কলকাতায় চলে আসেন তিনি। বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট হাই স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাশের পরে সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে বিজ্ঞানে স্নাতক হন। 

ছাত্রজীবনেই তাঁর সংগীতযাত্রার শুরু। প্রথমে রেডিওতে পঙ্কজকুমার মল্লিকের সংগীতশিক্ষা শুনে অনুপ্রাণিত হন। পরে অশোকতরু বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে প্রাথমিক শিক্ষা নেন। তবে দেবব্রত বিশ্বাস (জর্জ)-এর সান্নিধ্যে এসে এক নতুন দিশা পান তিনি। গানের ভাব বুঝে গাওয়া, আর উচ্চারণের শুদ্ধতায় রবীন্দ্রসংগীতকে এক নতুন মাত্রা দেন তিনি।

রবীন্দ্রসংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৯৭ সালে তাঁকে ভারত সরকার সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার দেয়। পরে তিনি 'টেগোর ফেলো' সম্মানে ভূষিত হন, যা রবীন্দ্রসংগীতের প্রতি তাঁর আজীবন নিবেদনকে স্বীকৃতি দিয়েছে।  

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

Related Stories

No stories found.
logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in