

সইফের উপর হামলার ঘটনার ৪৮ ঘন্টা পার। তবে এখনও অধরা হামলাকারী। শুক্রবার বান্দ্রা স্টেশন থেকে যে সন্দেহজনক ব্যক্তিকে আটক করা হয়, তাকে পরে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, তিনি সইফের হামলাকারী নয়। ওই ব্যক্তির সাথে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা ব্যক্তির কোনও মিল নেই বলেই জানিয়েছে মুম্বাই পুলিশ।
বুধবার মধ্যরাতে নিজের বাড়িতেই আক্রান্ত হন বলিউড অভিনেতা সইফ আলি খান। অভিযোগ, সইফকে ছুরি দিয়ে কোপায় ওই দুষ্কৃতি। জখম অবস্থায় রাত সাড়ে তিনটে নাগাদ লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয় অভিনেতাকে। অস্ত্রোপাচারের পর আপাতত সুস্থ আছেন অভিনেতা বলে খবর হাসপাতাল সূত্রে।
বুধবার রাতেই সইফের উপর হামলার পরে পিছনের সিঁড়ি দিয়ে পালিয়ে যান হামলাকারী। সিসিটিভি ফুটেজে তাকে দেখা যায়। ওই ছবি দেখেই হামলাকারীকে চিহ্নিত করে পুলিশ। এরপর শুরু হয় তল্লাশি। বৃহস্পতিবার দিনভর চলে তল্লাশি। শুক্রবার ভোরে বান্দ্রা স্টেশন থেকে আটক করা হয় একজনকে। পুলিশের দাবি, তিনিই সইফের হামলাকারী।
কিন্তু গ্রেফতারের পরেই তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় পুলিশ। জানা যায়, ওই ব্যক্তি সইফের আবাসনে কাঠের আসবাবপত্রের কাজ করতে গিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার সিসিটিভিতে দেখা যাওয়া ব্যক্তির সঙ্গে তার কোনও মিল নেই। এরপরেই পুলিশের পক্ষ জানানো হয়, ৩০ টি দল দুষ্কৃতির খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে। তবে পুলিশ নিশ্চিত, তিনি কোনও গ্যাং দুষ্কৃতি নন। এমনকি কার বাড়িতে চুরি করতে ঢুকছে তাও জানা ছিল না তার।
তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিকরা কথা বলেছেন সইফ আলি খানের সঙ্গে। মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র (নগর) দফতরের মন্ত্রী যোগেশ কেডাম আগেই জানিয়েছেন, এই হামলার নেপথ্যে আসলে চুরিরই উদ্দেশ্য ছিল।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন