'নতুন সরকারে যেন ফের দুর্নীতি না জেতে সেটাই কাম্য' - পরাজয়ের পর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে রুদ্রনীল

প্রথম থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিলেন ভবানীপুরে বিধায়ক হচ্ছেন তিনিই। কিন্তু সেখানকার মানুষ আস্থা রেখেছেন তৃণমূলের ওপরেই। শোভনদেবের কাছে ২৮,৫০৭ ভোটে পরাজিত হন এই অভিনেতা রাজনীতিবিদ।
'নতুন সরকারে যেন ফের দুর্নীতি না জেতে সেটাই কাম্য' - পরাজয়ের পর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে রুদ্রনীল
রুদ্রনীল ঘোষরুদ্রনীল ঘোষের ফেসবুক পেজের সৌজন্যে

নিজের গড় ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে এবার প্রার্থী হননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর জায়গায় টিকিট পান শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বিজেপির হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। নির্বাচন শুরু হওয়ার কয়েক দিন আগে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। প্রথম থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিলেন ভবানীপুরে বিধায়ক হচ্ছেন তিনিই। কিন্তু সেখানকার মানুষ আস্থা রেখেছেন তৃণমূলের ওপরেই। শোভনদেবের কাছে ২৮,৫০৭ ভোটে পরাজিত হন এই অভিনেতা রাজনীতিবিদ।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন নন্দীগ্রাম থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে ঘোষণা করেছিলেন, তখন তিনি কটাক্ষ করে বলেছিলেন, মমতা হেরে যাবেন বলে ভয় পেয়ে পালিয়ে যাচ্ছেন। ভোট গণনা পর্ব মিটতেই ফেসবুকে পোস্ট করে রুদ্রনীল জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ২১শের ভোট যুদ্ধ শেষ। মানুষের রায়ে আশাতীত সাফল্যে প্রথম স্থানে তৃণমূল এবং দ্বিতীয় স্থানে বিজেপি। সিপিএম ও কংগ্রেস শূন্য। জয়ী প্রার্থীদের অভিনন্দন। যারা জয়ী হলেন না, তাঁদের পরিশ্রমকে কুর্নিশ। সব রাজনৈতিক দলের ভোটার, সমর্থক ও কর্মীদের ভালবাসা জানাই। নির্বাচনে হার জিত থাকেই। ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে আমায় হারিয়ে জয়ী হয়েছেন শ্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। ওঁনাকে অভিনন্দন।

ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধু তৃণমূলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হওয়া রাজ চক্রবর্তী এবং কাঞ্চন মল্লিককে অভিনন্দন জানিয়ে লিখেছেন, সদ্য রাজনীতিতে পা দিয়েই জয়ী হয়েছেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু রাজ চক্রবর্তী ও কাঞ্চন মল্লিক। দুজনকেই শুভেচ্ছা।

এবারের নির্বাচনের প্রাক্কালে বিজেপিতে যোগদানের হিড়িক পড়ে যায়। সবারই তখন একটাই কথা ছিল যে, দলের হয়ে কাজ করতে পারছেন না। বেশিরভাগই বলেছিলেন তাদের দমবন্ধ হয়ে আসছে। সেই প্রসঙ্গ তিনি লিখেছেন, আশা করব প্রথা পালটে তৃণমূল এদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেবে এবার। এই নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরে গেছেন শুভেন্দু অধিকারীর কাছে। যে কোন কেউ হারুন বা জিতুন, নতুন সরকারে যেন ফের দুর্নীতি না জেতে সেটাই কাম্য। জিতুক বাংলার সাধারণ মানুষের সত্যিকারের উন্নয়ন, জিতুক বাংলার বেকারদের চাকরি পাওয়ার স্বপ্ন, জিতুক স্বাস্থ্য ব্যাবস্থার পরিকাঠামো ও পুলিশের শিরদাঁড়া। হারুক ক্ষমতার আস্ফালন আর গুন্ডামি। জিতুক বাংলার শরীর ও মন। এই পোস্ট ঘিরে ফের ট্রোলড হন অভিনেতা। কেউ কেউ লেখেন, এবার আইএসএফে যোগ দেওয়া বাকি তাঁর।

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in