

ফের নক্ষত্রপতন বিনোদন দুনিয়ায়। প্রয়াত ‘ইন্ডিয়ান আইডল ৩’-এর বিজেতা এবং 'পাতাললোক ২' খ্যাত অভিনেতা প্রশান্ত তামাং। মাত্র ৪৩ বছর বয়সেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
জানা গেছে, রবিবার সকালে দিল্লিতে নিজের বাসভবনেই অভিনেতা-সঙ্গীতশিল্পীকে নিথর অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এরপর তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। অরুণাচল প্রদেশে একটি অনুষ্ঠান করে দিল্লি ফিরেছিলেন তিনি। তাঁর কোনও গুরুতর শারীরিক সমস্যা ছিল না। মনে করা হচ্ছে, হৃদযন্ত্র বিকল হয়েই মৃত্যু হয়েছে সঙ্গীতশিল্পীর। অভিনেতার আচমকা এই মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না তাঁর পরিবার ও অনুরাগীরা।
১৯৮৩ সালের ৪ জানুয়ারি দার্জিলিঙে জন্ম অভিনেতার। সেখানেই তাঁর বেড়ে ওঠা। একটা সময়ে কলকাতা পুলিশেও কাজ করতেন। সহকর্মীদের উৎসাহেই ২০০৭ সালে ‘ইন্ডিয়ান আইডল’-এর অডিশন দেওয়া এবং এরপর তাঁর জীবন বদলে যায়। দেশবিদেশে গানের অনুষ্ঠান করতেন। ২০২৪ সালে 'পাতাললোক ২'-এ অভিনয় করে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন তিনি। মুম্বই তাঁর কাজের ক্ষেত্র হলেও, কখনও পাকাপাকিভাবে মুম্বইতে থাকেননি। দার্জিলিং-এই তাঁর পরিবারকে নিয়ে থাকতেন।
প্রশান্তের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ''‘ইন্ডিয়ান আইডল’ খ্যাত ও জাতীয়স্তরে পরিচিত শিল্পীর আকস্মিক ও অকালমৃত্যুতে গভীর ভাবে শোকাহত। উনি দার্জিলিঙের ভূমিপুত্র এবং একসময়ে কলকাতা পুলিশের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে তিনি বাংলার মানুষের কাছে বিশেষ ভাবে প্রিয় ছিলেন। ওঁর পরিবার, বন্ধুবান্ধব ও অনুরাগীদের প্রতি আমার সমবেদনা রইল।”
সলমন খানের ‘ব্যাটল অফ গলওয়ান’-এ শেষ কাজ করেছেন প্রশান্ত তামাং। সেই ছবি এখনও মুক্তি পায়নি। সলমনের জন্মদিনে সেই ছবির ঝলক মুক্তি পেয়েছিল। সেই ঝলক নিজের সমাজমাধ্যমে শেয়ারও করেছিলেন প্রশান্ত।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন