

সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সরিয়ে ফেলা হল র্যাপার ও সঙ্গীতশিল্পী বাদশার বিতর্কিত গান ‘টটীরী’ (Tateeree)-এর সাথে সম্পর্কিত ৮৫৭টি লিঙ্ক। হরিয়ানা পুলিশ সোমবার একথা জানিয়েছে।
গত ৬ মার্চ পঞ্চকুলায় একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল; যেখানে অভিযোগ করা হয়েছিল, আদিত্য প্রতীক সিং সিসোদিয়া যিনি 'বাদশাহ' নামে অধিক পরিচিত, তিনি তাঁর সাম্প্রতিক মিউজিক ভিডিও ‘টটীরী’-তে আপত্তিকর শব্দ ও দৃশ্য ব্যবহার করেছেন। হরিয়ানা পুলিশ জানিয়েছে, তারা এই "আপত্তিকর গান"-এর বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান শুরু করেছে।
পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এবং বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের সহযোগিতায়, এই গানের সাথে সম্পর্কিত মোট ৮৫৭টি লিঙ্ক এ পর্যন্ত সরিয়ে ফেলা হয়েছে; এর মধ্যে ১৫৪টি ইউটিউব ভিডিও এবং ৭০৩টি ইনস্টাগ্রাম রিল রয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, "সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মগুলোকে নোটিশ জারি করে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, গানটির সমস্ত সংস্করণ — যার মধ্যে পুনরায় আপলোড করা ভিডিও, ছোট ভিডিও (short videos) এবং অন্যান্য ফরম্যাটও রয়েছে —সেগুলি যেন দ্রুত সরিয়ে ফেলা হয়। নারী ও নাবালকদের প্রতি অবমাননাকর ইঙ্গিতপূর্ণ আপত্তিকর বিষয়বস্তুর বিস্তার রোধ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।"
ডিজিপি অজয় সিংঘল বলেছেন, নারী ও নাবালকদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করে এমন কোনও ধরণের আপত্তিকর বিষয়বস্তু বরদাস্ত করা হবে না। ‘টটীরী’-র মতো ঘটনাগুলোতে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে। সমাজের প্রতি স্পষ্ট এবং জোরালো বার্তা দিতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
এডিজিপি এবং পঞ্চকুলার পুলিশ কমিশনার শিবাস কবিরাজ জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত গানটি ব্যবহার করে কেউ যদি 'রিলস' (Reels), 'শর্টস' (Shorts) কিংবা অন্য কোনো ধরনের ভিডিও তৈরি বা শেয়ার করেন, তবে তাঁকে কঠোর আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হবে।
উল্লেখ্য, বিতর্কের মুখে বাদশা তাঁর অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও পোস্ট করে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন; তিনি বলেছেন, তাঁর সাম্প্রতিক গানটির কারণে যদি কারো অনুভূতিতে আঘাত লেগে থাকে, তবে তিনি তার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ‘টটীরী’ ছাড়াও এই মুহূর্তের বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে আরও একটি গান - ‘সরকে চুনরি তেরে’। নোরা ফতেহি ও সঞ্জয় দত্তের এই গানটি নিষিদ্ধ করেছে কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক।
ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন