পুলিশকে বারবার দর্শক গুণতে হলে তো অনুষ্ঠানই বন্ধ করে দেওয়া উচিত - কে কে বিতর্কে প্রশাসনের পাশেই দেব

দেব বলেন, মহামারী যখন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছিল, সেইসময় করা রাজনৈতিক কর্মসূচিতে কোনো বিধিনিষেধ মানা হয়নি। সেটা যদি ঠিক হয়, তাহলে এই অনুষ্ঠানের বিরুদ্ধে কেন ক্ষোভ?।
পুলিশকে বারবার দর্শক গুণতে হলে তো অনুষ্ঠানই বন্ধ করে দেওয়া উচিত - কে কে বিতর্কে প্রশাসনের পাশেই দেব

কে কে'র কনসার্টে নজরুল মঞ্চের অব্যবস্থা নিয়ে একাধিক অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা। বিরোধীদের এই বক্তব্য নস্যাৎ করে পুলিশ প্রশাসনের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল সাংসদ তথা অভিনেতা দেব। তাঁর কথায় পুলিশকে যদি প্রতিবার দর্শকের সংখ্যা গুণতে হয়, তাহলে তো অনুষ্ঠানই বন্ধ করে দেওয়া উচিত।

গত ৩১ মে কলকাতায় একটি কলেজের অনুষ্ঠানে নজরুল মঞ্চে গান গাইতে এসে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় বলিউড গায়ক কে কে'র। তাঁর মৃত্যুর পর নজরুল মঞ্চের অব্যবস্থা নিয়ে একাধিক অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো সহ বিশিষ্ট জনরা। অভিযোগ উঠেছিল আড়াই হাজার সিট ক্যাপাসিটির মঞ্চে দর্শক উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৭ হাজার। মঞ্চের এসি কাজ করছিল না। এমনকি রাজ্যপালও কে কে'র মৃত্যুর জন্য পুলিশ প্রশাসনের গাফিলতির দিকে আঙুল তুলেছেন। এবার এই বিতর্কে মুখ খুললেন অভিনেতা দেব।

মূলত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকে উদ্দেশ্য করে এদিন দেব বলেন, "কোনো শিল্পীর অনুষ্ঠানে প্রচুর দর্শকের উপস্থিতি আসলে শিল্পীর প্রতি তাঁদের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। রাজনৈতিক অনুষ্ঠানেও এই দৃশ্য দেখা যায়। পুলিশকে যদি প্রতিবার দর্শকের সংখ্যা গুণতে হয়, তাহলে তো অনুষ্ঠানই বন্ধ করে দেওয়া উচিত। শুধু বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান নয়, রাজনৈতিক সমাবেশও বন্ধ করে দেওয়া উচিত।"

কোভিডের সময় রাজনৈতিক সমাবেশে কোনো বিধিনিষেধ মানা হয়নি সে কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন ঘাটালের তৃণমূল সাংসদ। সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন -মহামারী যখন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছিল, সেইসময় যে রাজনৈতিক কর্মসূচিগুলি করা হয়েছিল সেখানে কোনো বিধিনিষেধ মানা হয়নি। সেটা আমাদের দলের কর্মসূচি হোক বা অন্য দলের, আমরা লক্ষ লক্ষ মানুষকে সমাবেশে যোগ দিতে দেখেছি। সেটা যদি ঠিক হয়, তাহলে এই অনুষ্ঠানের বিরুদ্ধে কেন ক্ষোভ?।

পুলিশকে বারবার দর্শক গুণতে হলে তো অনুষ্ঠানই বন্ধ করে দেওয়া উচিত - কে কে বিতর্কে প্রশাসনের পাশেই দেব
মুহূর্তের অসতর্কতা এমন মারমুখী আবেগ বয়ে আনবে কে জানতো? বিতর্কিত লাইভ নিয়ে মুখ খুললেন রূপঙ্কর

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in