নাথুরাম গডসের সমর্থনে কঙ্গনা রানাওয়াতের ট্যুইট ঘিরে সমালোচনার ঝড়

কঙ্গনা রানাওয়াত
কঙ্গনা রানাওয়াতফাইল ছবি উইকিপিডিয়া থেকে
Published on

মহাত্মা গান্ধীর প্রয়াণ দিবসে নাথুরাম গডসের সমর্থনে ট্যুইট করে ফের বিতর্কের শিরোনামে কঙ্গনা রানাওয়াত। তাঁর এদিনের ট্যুইট দেখে বিস্ময়ে হতবাক নেটিজেনরা। ফলস্বরূপ কিছু সমর্থন পেলেও অধিকাংশ নেটিজেন কড়া সমালোচনায় ভরিয়ে দিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রীর ট্যুইটার ওয়াল।

এদিন নিজের ট্যুইটে কঙ্গনা লেখেন – প্রতিটি গল্পেরই তিনি দিক থাকে। একটি আপনার একটি আমার এবং একটি সত্যের…। একজন ভালো কথক কখনোই সবটা আপনাকে জানায় না আবার সবটা লুকিয়েও রাখে না। সেই কারণেই আমাদের পাঠ্য বইগুলো কোনো কাজের না। শুধু ব্যাখ্যায় ভর্তি। এরপরেই তিনি হ্যাসট্যাগ দেন নাথুরাম গডসে। সঙ্গে নাথুরামের দুটি ছবি এবং একটি দেশভাগের পরবর্তী সময়ের ছবি।

১৯৪৮ সালে আজকের দিনেই নাথুরাম গডসের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন মহাত্মা গান্ধী। তাঁর প্রয়াণ দিবসে বলি অভিনেত্রীর এই ট্যুইট অধিকাংশ নেটিজেনের রোষের কারণ হয়েছে। তাঁরা সরাসরি সমালোচনা করেছেন কঙ্গনার। জনৈক অর্পণ যাদব লিখেছেন – ‘একজন সন্ত্রাসবাদীর প্রশংসা একজন সন্ত্রাসবাদীই করতে পারে।’ অন্য এক ব্যক্তি লিখেছেন = ‘৯০ বছরের এক বৃদ্ধের ওপর গুলি চালানোকে যারা বীরত্ব মনে করে তাঁদের বলি একে বীরত্ব বলে না। সন্ত্রাসবাদকে কখনও বীরত্ব বলে চালানো যায়না।’ জনৈক ডাঃ সায়েদা উজমা লিখেছেন – ‘ভুল। প্রতিটি গল্পেরই দুটি দিক থাকে। একটা আপনার দিক এবং একটা সঠিক দিক।’ জনৈক জগদীশ সোলাঙ্কি লিখেছেন – ‘নাথুরাম গডসে একজন সন্ত্রাসবাদী ছিলেন এবং তিনি মহাত্মা গান্ধীকে হত্যা করেছিলেন। যারা নাথুরামকে সমর্থন করে তাঁরা দেশদ্রোহী।’

SUPPORT PEOPLE'S REPORTER

ভারতের প্রয়োজন নিরপেক্ষ এবং প্রশ্নমুখী সাংবাদিকতা — যা আপনার সামনে সঠিক খবর পরিবেশন করে। পিপলস রিপোর্টার তার প্রতিবেদক, কলাম লেখক এবং সম্পাদকদের মাধ্যমে বিগত ১০ বছর ধরে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আপনাদের মতো পাঠকদের সহায়তা। আপনি ভারতে থাকুন বা দেশের বাইরে — নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে একটি পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে পারেন। স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

logo
People's Reporter
www.peoplesreporter.in