হুমকির মুখে পিপলস রিপোর্টার

ছবি প্রতীকী সংগৃহীত
ছবি প্রতীকী সংগৃহীত

সকাল ৮.৩২। শনিবার। ফোন এল এক অজানা নম্বর থেকে। মোটামুটি ৩ মিনিট ২০ সেকেন্ডের সেই কলের সারবস্তু পিপলস রিপোর্টারকে ‘দেখে নেওয়ার’। যেহেতু বিগত প্রায় তিন বছর ধরে বেশ কিছু চড়াই উৎরাই পেরিয়ে এখনও মাথা উঁচু করে আমরা দাঁড়িয়ে রয়েছি, পিপলস রিপোর্টার দাঁড়িয়ে রয়েছে, তাই এধরণের ফোন বা হুমকি যে যে কোনো দিনই আসতে পারে তা জানা ছিলো। এর আগেও একাধিকবার পিপলস রিপোর্টারের ওপর আক্রমণ এসেছে। আমরা একাধিকবার আর্থিক ক্ষতি স্বীকার করেও সেই বাধা অতিক্রম করেছি।

কিন্তু এদিনের বিষয়টা একটু আলাদা। কোনো এক ‘শর্মা’, যিনি নাকি জানবাজারে থাকেন (ফোনে সেরকমই তিনি বলেছিলেন) ফোনে জানান – পিপলস রিপোর্টার থেকে কেন শুধু ‘ফেক নিউজ’ করা হয়। এই কথার উত্তরে খুব স্পষ্ট ভাবেই ফোনের অন্য প্রান্তে থাকা ‘ভদ্রলোক’-এর কাছ থেকে জানতে চাওয়া হয় – পিপলস রিপোর্টার-এ প্রকাশিত কোন খবরটা ফেক? যার উত্তর তিনি দিতে পারেননি।

উত্তরে ওই ‘শর্মা’ জানান – পিপলস রিপোর্টার নিউজ পোর্টালে যা যা খবর বেরোয় তার সবটাই ফেক এবং তিনি সমস্ত হিসেব রাখছেন। এই কল তিনি রেকর্ড করছেন এবং পিপলস রিপোর্টারকে দেখে নেবেন। এরই সঙ্গে তিনি উদগ্রীব ছিলেন উনি কার সঙ্গে কথা বলছেন তা জানার জন্য।

ওই ‘ভদ্রলোক’ কে বা কাদের প্ররোচনায় উনি ‘পিপলস রিপোর্টার’কে হুমকি দিয়েছেন জানিনা। তবে হ্যাঁ। যেটা বলে রাখা ভালো, এটাকে আমরা হুমকি হিসেবেই দেখছি এবং গুরুত্ব সহকারে আইনি পথে যাবার কথা বিবেচনা করছি।

আপনারা, যারা পিপলস রিপোর্টারের জন্মলগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত সঙ্গে আছেন, আমাদের দৃঢ় ভূমিকায় আস্থা রাখেন, আমাদের বিশ্বাস করেন - তাঁরা জানেন এই নিউজ পোর্টাল থেকে কোনো ‘ফেক নিউজ’ পরিবেশিত হয় না। আমরা করি না। আমাদের ট্যাগ লাইন মেনে আমরা আপনাদের ‘গুজবে নয়’ খবরে রাখার চেষ্টা করি। সেই খবর কারুর অপছন্দের হলে আমরা অপারগ। আপনার কাছে খবর পৌঁছে দেবার দায়িত্ব আমাদের, আপনাকে খুশী করা নয়।

আমাদের দায়বদ্ধতা আপনাদের কাছে। আমরা চাই, সুস্থ, সঠিক খবরের স্বার্থে আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকুন। যাতে এই ধরণের অবাঞ্ছিত ও অনভিপ্রেত ঘটনা এড়িয়ে আপনাদের কাছে মানুষের কথা তুলে ধরতে পারি। কারণ, শেষ কথা কোনো ‘শর্মা’ বলবেন না। বলবেন মানুষ।

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in