UCL: ৭ গোলের থ্রিলিং ম্যাচে এগিয়ে সিটি, বেনজেমা-ভিনিসিয়াস নৈপুণ্যে ফাইনালের দৌড়ে রইলো রিয়ালও

শুরুতেই জোড়া গোল হজম করে পিছিয়ে পড়লেও ম্যাচ গড়ানোর সাথে সাথে ছন্দ খুঁজে পায় আনচেলত্তির দল। বেনজেমা-ভিনিসিয়াসের নৈপুণ্যে ফাইনালের দৌড়ে রয়েই গেলো রিয়াল।
UCL: ৭ গোলের থ্রিলিং ম্যাচে এগিয়ে সিটি, বেনজেমা-ভিনিসিয়াস নৈপুণ্যে ফাইনালের দৌড়ে  রইলো রিয়ালও
ম্যান সিটিছবি সৌজন্যে ম্যান সিটি-র টুইটার হ্যান্ডেল

সাত গোলের থ্রিলিং ম্যাচে এতিহাদে এগিয়ে থাকলো সিটিজেনরা। তবে রিয়াল মাদ্রিদ দ্বিতীয় লেগের জন্য অবশ্যই আত্মবিশ্বাসী থাকবে। শুরুতেই জোড়া গোল হজম করে পিছিয়ে পড়লেও ম্যাচ গড়ানোর সাথে সাথে ছন্দ খুঁজে পেয়েছে আনচেলত্তির দল। গার্দিওলারা ঘরের মাঠে দুরন্ত শুরু করলেও চওড়া হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেননি। বেনজেমা-ভিনিসিয়াসের নৈপুণ্যে ফাইনালের দৌড়ে রয়েই গেলো রিয়াল। দ্বিতীয় লেগে ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে আরও এক রূপকথার গল্প লেখার সুযোগ রইলো ব্ল্যাঙ্কোসদের সামনে।

চলতি মরশুমে রিয়াল মাদ্রিদকে একা হাতেই কার্যত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন করিম বেনজেমা। ফরাসী স্ট্রাইকার হয়ে উঠেছেন মাদ্রিদের গোল মেশিন। এই মরশুমে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ইতিমধ্যেই ৪১ গোল করে ফেলেছেন বেনজেমা। চ্যাম্পিয়ন্স লীগে ১৪ গোল করে একাই রিয়াল মাদ্রিদকে টানছেন। গতরাতে জোড়া গোল করেছেন তিনি।

এতিহাদে খেলা শুরুর সাথে সাথেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে পুরো এতিহাদ। ম্যাচ শুরুর ৯৩ সেকেন্ডের মাথায় চ্যাম্পিয়নস লীগের সেমিফাইনালের ইতিহাসে দ্রুততম গোলটি করে দেন সিটির বেলজিয়ান মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইন। এই গোলের দশ মিনিট পরে ঝড়ের মতো আরও একটি গোল হজম করে সফরকারীরা। কেভিন ডি ব্রুইনের ক্রস থেকে দ্বিতীয় গোলটি করেন ব্রাজিলিয়ান তারকা গ্যাব্রিয়েল জেসুস।

প্রথম ৩০ মিনিটে আরও কয়েকটি আক্রমণ হানে ম্যান সিটি। ডি ব্রুইনদের দাপটের মাঝেই রিয়ালের রক্ষক হিসেবে আবির্ভূত হন করিম বেনজেমা। ৩১ মিনিটের মাথায় লেফট উইং থেকে মেন্ডির নেওয়া ক্রসে বাঁ পায়ে ভলি করে গোল করেন এই ফরাসী স্ট্রাইকার।

প্রথমার্ধে ২-১ গোলে এগিয়ে থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধেও শুরুটা দাপটের সাথে করে সিটি। ৫৩ মিনিটে ফার্নান্দিনহোর ক্রস থেকে দলগত তৃতীয় গোলটি করেন ফোডেন। তবে এই গোলের দু মিনিট বাদেই মেন্ডির ক্রস থেকে অনবদ্য এক গোলে ব্যবধান কমান ব্রাজিলিয়ান বিস্ময় ভিনিসিয়াস নমস্কার।

৭৪ মিনিটে মাদ্রিদের বক্সের সামনে জিনচেঙ্কোকে ফাউল করে বসেন টনি ক্রুজ। এই ফাউলে সেকেন্ডের জন্য খেলা থামিয়ে দিয়েছিলো দুই দলই। কিন্তু বল সিলভার পায়ে চলে যাওয়ায় রেফারি খেলা চালিয়ে যাওয়ার সংকেত দেন। সিলভা বক্সে ঢুকে বাঁ পায়ের দুর্দান্ত এক শটে গোল করে বসেন। রিয়ালকে হজম করতে হয় চতুর্থ গোলটি।

দুই গোলের লীড আবারও বজায় রেখে যখন ম্যাচ শেষ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো সিটি, তখন আবারও রক্ষণের ভুলে হতাশ হতে হয় তাদের। বক্সের ভেতর বলের মধ্যে হাত লাগিয়ে বসেন লাপোর্তো। ৮২ মিনিটে সেই পেনাল্টি থেকে গোল দেন বেনজেমা। শুরুতে পিছিয়ে পড়লেও ম্যাচের শেষে আত্মবিশ্বাস নিয়েই মাঠ ছেড়েছিলেন আনচেলত্তির দল।

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.