দীপাবলির আগে আজ মধ‍্যরাত থেকে দিল্লি ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় বাজি নিষিদ্ধ করা হলো। আর কয়েকদিন পরেই দীপাবলি উৎসব। করোনা আবহের মধ্যে রাজধানীতে আতশবাজির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করলো ন্যাশনাল গ্রীন ট্রাইব্যুনাল। সমস্ত রকম বাজি বিক্রি ও পোড়ানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা বলবত্‍ থাকবে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত।

 দেশের একাধিক রাজ্য এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। পশ্চিমবঙ্গে, উড়িশ্যায়, রাজস্থানে, হরিয়ানা, কর্ণাটকে নিষিদ্ধ হয়েছে আতশবাজি। যদিও হরিয়ানায় নিষিদ্ধ করার পর দুঘন্টা বাজি পোড়ানোর অনুমতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর।

 যে সব শহরে দূষণ কম, সেখানে দীপাবলির সময় দু’ঘণ্টার জন্য পরিবেশবান্ধব বাজি পোড়ানোর অনুমতি দিয়েছে ন্যাশনাল গ্রীন ট্রাইব্যুনাল। বাজি পোড়ানোর জন‍্য সময় নির্দিষ্ট করে দেবে বলে সংশ্লিষ্ট রাজ‍্য। হরিয়ানা সরকার সূত্রে খবর, রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত দীপাবলি ও গুরুপরবের সময় বাজি পোড়ানো যাবে। বড়দিন ও নববর্ষে রাত ১১টা ৫৫ থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বাজি পোড়ানোর অনুমতি দিয়েছে হরিয়ানা সরকার।

 এবছর পশ্চিমবঙ্গেও বাজি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে কলকাতা হাইকোর্টে। কালীপুজো, দীপাবলি, ছটপুজোয় বন্ধ বাজি পোড়ানো। বিক্রিও করা যাবে না। এই নির্দেশ নিশ্চিত করতে পুলিশকে দায়িত্ব নিতে বলেছে আদালত।

রাজ‍্যগুলির মধ‍্যে প্রথমে বাজি বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে রাজস্থান সরকার। মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট জানিয়েছেন, দূষণ এড়াতে দীপাবলিতে বাজি বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন