একে করোনা ভাইরাসের দাপটে জর্জরিত তাঁদের জীবন-আয়, তারওপর মেট্রো চলতে শুরু করলে তাঁদের আয়ে আরো কোপ পড়বে বলে জানিয়েছেন রাজধানীর অটোচালকরা। তাদের দাবি, এখন প্রায় সকলেই 'ওয়ার্ক ফ্রম হোম' করছেন। আংশিক লকডাউন প্রত্যাহারের পরও পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক নয়। যাঁরা বাইরে বেরোচ্ছেন তাঁরাও বর্তমানে মেট্রোতেই যাতায়ত করছেন।  ব্যস্ততম মেট্রো স্টেশনের বাইরে যাত্রীর প্রতীক্ষাই সার, কোনও যাত্রীই অটোতে উঠছেন না বলে জানিয়েছেন অটো চালকরা।

এক অটোচালকের কথায়, লকডাউন ঘোষণা হওয়ার পর তিন দিন খাওয়ার কিছু ছিল না। অন্যান্যদের মত সেও গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেয়। সেখান থেকে ফেরার কোনও ইচ্ছাই ছিল না। কিন্তু বাড়ির একমাত্র উপার্জনকারী হওয়ায় তাকে কাজে ফিরতেই হয়। লকডাউনের কারণে ট্রেন, মেট্রো বন্ধ থাকায় তাও কিছু যাত্রী পাওয়া যেত। এরপর অফিস শুরু হওয়াতে আরো কিছু বেশি যাত্রী পাওয়া যেত। এইসব যাত্রীদের কাছ থেকে ভালোই আয় হচ্ছিল। কিন্তু এখন মেট্রো পরিষেবা শুরু হওয়াতে সাধারণ মানুষ অটো ছেড়ে মেট্রোতেই যেতে শুরু করেছেন। তাই দিনে এখন ৬ জন যাত্রী পাওয়াও মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কাজে যাওয়া তো দূর, এখন মানুষ কেনাকাটা বা ঘুরতেও বেরোচ্ছেন না। এভাবে চললে ব্যবসা করা কঠিন হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন দিল্লির কনৌট প্লেস এলাকার অটোচালকরা। কনৌট প্লেস দিল্লির অন্যতম ব্যস্ততম জায়গা হওয়া সত্ত্বেও মেট্রো চলতে শুরু হওয়ায় অটোর যা্ত্রী এখন পাওয়া দুষ্কর হয়ে উঠেছে। আর তাতেই মাথায় হাত রাজধানীর অটোচালকদের।

জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন