লকডাউনের মধ্যে গত চার মাসে অন্ধ্রপ্রদেশে দলিতদের উপর ১৫০টির বেশি অত্যাচার ও অপমানের ঘটনা ঘটেছে। মূলত উঁচু শ্রেণির মানুষদের দ্বারাই অত্যাচারিত হতে দেখা গিয়েছে দলিতদের। শুক্রবার রাজ্য সিপিআইএমের একটি সমাজসেবী সংগঠন কুলা বিভাক্ষ পোরাতা সমিতি রাজ্যের ৩৫০টিরও বেশি কেন্দ্রে এই বিষয়টি নিয়ে একটি গোলটেবিল বৈঠক করেছে। সেখানেই বিষয়টি সামনে উঠে এসেছে।

 গত ১৮ জুলাই, প্রকাশম জেলার চিরালায় ওয়াই কিরণ কুমার নামে এক দলিত ব্যক্তি পুলিশ হেপাজতে মারা যান। মাস্ক না পরে বেরনোর কারণে তাঁকে ধরে রাখা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মীদের সাময়িক বরখাস্ত করা এবং তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করা হলেও এই ঘটনায় তপসিলি জাতি/উপজাতি আইনে মামলা করা উচিত, এই মর্মে ন্যাশনাল কমিশন ফর শিডিউল কাস্টকে এই মামলায় হস্তক্ষেপ ও ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের আবেদন জানানো হয়েছে সংগঠনের তরফে।

 সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আন্দ্রা মালয়েদ্রি অভিযোগ করেন, ইচ্ছাকৃতভাবে পুলিশকর্মীরা তপসিলি জাতি/ উপজাতি আইন কার্যকর করার ক্ষেত্রে অবহেলা করেছে। পুলিশ বা ক্ষমতাসীন দলের নেতারা যদি নৃশংসতার মামলায় অভিযুক্ত হন, সেখানে তদন্তে পক্ষপাতিত্বের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এদিকে চিত্তুর জেলার রামচন্দ্রপুর মণ্ডলের সাকামুরী কান্ডরিগা গ্রামে দলিতরা করোনা ভাইরাস ছড়াচ্ছে বলে কিছু উচ্চবর্ণের লোক দলিত গ্রামবাসীদের প্রবেশ আটকাতে রাস্তায় কাঁটাঝোপ দিয়ে দেয়। এই ঘটনার প্রতিবাদ করলে দলিতদের ব্যাপক মারধর করা হয়। কয়েকজনকে হাসপাতালেও ভর্তি করতে হয়েছে বলে খবর। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যের সমস্ত আম্বেদকরের মূর্তির নীচে অবস্থান প্রতিবাদ করেন সংগঠনের কর্মীরা।

জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন