লকডাউনের কারণে দেশের অর্থনীতির হাল বেহাল। বিভিন্ন শিল্প ক্ষেত্রে উৎপাদনের হারও প্রায় তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। এই অবস্থায় দেশের ৮ টি শিল্প সেক্টরে টানা চতুর্থ মাসেও উৎপাদনের হার মাত্র ১৫ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে। শ্রমিক ঘাটতি, কম নগদ জোগান, চাহিদা হ্রাস প্রভৃতি কারণে উৎপাদনের পরিমাণ কমে গিয়েছে। মে মাসে কোর সেক্টরের উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ২২ শতাংশ।

 আইসিআরএ অনুসারে, জুনে শিল্পোদপাদনের পরিমাণ ১৫-২০ শতা্ংশ সংকোচন দেখতে হতে পারে। কেয়ার রেটংয়েও এই চিত্রটি ২০-২২ শতাংশ দেখাতে পারে। কেয়ার রেটিংসের প্রধান আর্থিক উপদেষ্টা মদন সাবনাভিস বলেছেন, সরকার যখন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অনুমতি দিতে শুরু করেছে, তখন উৎপাদনের কিছু লক্ষণ দেখা গিয়েছে। যদিও এই উৎপাদনের পরিমাণ খুবই কম। শুক্রবার বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রকের প্রকাশিত পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছে, ৮ টি মূল খাতের মধ্যে ৭ টি জুনেও চুক্তি অব্যাহত রেখেছে আগের মাসগুলোর মতই।

যদিও পরিকাঠামো বিভাগে সবচেয়ে খারাপ উৎপাদন দেখা গিয়েছে। ইতিমধ্যে ইস্গাত ও সিমেন্টের মত ক্ষেত্রগুলো কোভিড মহামারির কারণে খারাপভাবে প্রভাবিত হয়েছে। কারণ, সামাজিক দূরত্বের নিয়মগুলোর কারণে সারা দেশে নির্মাণ মূলত স্থগিত ছিল। গত ২ মাসে ইস্পাত উৎপাদন যথাক্রমে ৪৩ ও ৭৯ শতাংশ কমে যাওয়ার পর জুনে টানা দ্বিতীয় মাসে সবচেয়ে খারাপ উৎপাদন হয়েছে। অপরিশোধিত তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা উৎপাদনের হারও এই লকডাউনের কারণে দারুণভাবে প্রভাবিত হয়েছে।

জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন