দেশের একাধিক রাজ্যে ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য অনেকটাই কমেছে

দেশের একাধিক রাজ্যে ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য অনেকটাই কমেছে
ছবি প্রতীকী সংগৃহীত

কেন্দ্রের কৃষিবিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন কৃষকরা। কেন্দ্রের এই নয়াবিল দেশের মান্ডিগুলোকে এককথায় পঙ্গু করে দিয়েছে। নয়া কৃষিবিলের কারণে দেশের একাধিক রাজ্যে ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য অনেকটাই কমে গিয়েছে। দেশের মান্ডিগুলো থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে চলতি বছর ফসলের একটি বড় অংশ সরকারের ঘোষিত ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের থেকে অনেক কম দামে কেনা হচ্ছে।

কৃষি মন্ত্রণালয় দ্বারা পরিচালিত এজি মার্ক নেট নামে এক অনলাইন পোর্টালে ফসলের মূল্য সম্পর্কে প্রতিদিনকার তথ্য পাওয়া যায়। চলতি বছর ব্যবসায়ীরা ধান কিনছেন প্রতি কুইন্টাল ১১৫০-১৮৬৮টাকা। প্রতিবছর ন্যূনতম সহায়ক মূল্য এক রকম থাকে ফসলের ক্ষেত্রে। ১৫টি রাজ্যে মোট ২৯২ টি মান্ডি রয়েছে। এই শস্য মান্ডিগুলির তথ্য থাকে পোর্টালে।

প্রতিবছর অক্টোবর মাস থেকে খরিফ শস্যের মরশুম শুরু হয়। ফসল উৎপাদন হওয়ার পর তিনমাস ধরে মান্ডিগুলিতে ধান আসতে থাকে। বেশ কিছু অঞ্চলে সময়ের পরে ফসল কাটা হয় সেগুলি পরে বাজারে আসে।

দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্যে সরকার ঘোষিত ন্যূনতম সহায়ক মূল্য থেকেও কম মূল্যে ফসল বিক্রি হয়েছে। তারমধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য রাজ্য হল উত্তর প্রদেশ, গুজরাট, কর্ণাটক, তেলেঙ্গানা, তামিলনাড়ু। উত্তরপ্রদেশে ৪৭% ফসল বিক্রি হয়েছে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নিচে। গুজরাটে ৮৩% ফসল বিক্রি হয়েছে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের এর নিচে। কর্নাটকে ৬৩% ফসল বিক্রি হয়েছে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের নিচে। তেলেঙ্গানায় ৬০% ফসল বিক্রি হয়েছে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের নিচে।

উল্লেখযোগ্য ভাবে বলা যায় বৃহত্তম ধান উৎপাদনকারী রাজ্য গুলির মধ্যে রয়েছে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, গত দশকে ছত্রিশগড় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে ৪.৪ লক্ষ টন ধান বিক্রি হয়েছে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের নিচে। মধ্যপ্রদেশে ১১ শতাংশ ফসল বিক্রি হয়েছে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের কমে।

অন্যান্য খরিফ ফসল তথা জোয়ার, ভুট্টা, সোয়াবিন, অড়হর, মুগ, কালোছোলা, বাদামের অবস্থা আরো খারাপ। একটি নির্দিষ্ট অনুপাতে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য এর নিচে এই ফসলগুলি বিক্রি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট অনুপাতে ফসল ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নিচে বিক্রি করা হয়। তবে চলতি বছর সেই পরিমাণ অনেকটাই বেশি। মনে রাখা দরকার এটি মান্ডিতে রেকর্ড বিক্রয়।

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in