নেপালের লোকসাহিত্যে একে ভয়ঙ্কর তুষারমানবের নামে সম্বোধন করা হয়েছে। তিব্বতিদের কাছে এটি 'মিচে' অর্থাৎ মানুষ ভাল্লুক নামে পরিচিত। বাস্তবে এর সন্ধান না মিললেও এখনও অনেকে মনে করেন এর অস্তিত্ব আছে। প্রখ্যাত সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় থেকে শুরু করে সত্যজিত রায় পর্যন্ত এই অদ্ভুত প্রানীর বর্ননা দিয়ে গেছেন। এবার ২০১৯ সালে এসে এই অদেখা অজানা 'ইয়েতি'র ভয় ফের আলোচনার শীর্ষে।

ভারতীয় সেনাদের এক অংশ গত ৯ এপ্রিল মাকালু-বরুণ জাতীয় উদ্যানের কাছে এক বিশাল আকৃতির পায়ের ছাপ আবিষ্কার করে। যার পরিমাপ প্রায় ৮১×৩৮ সেন্টিমিটার। সেনারা এই পায়ের ছাপ শেয়ার করে জানায়, তারা এই বিশাল আকৃতির ইয়েতির পায়ের ছাপ আবিষ্কার করেছে।যা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই।

 

লোকমুখে প্রচলিত ইয়েতি হলো বনমানুষের মতো এক বৃহৎ জীব। যারা হাতে পাথর নিয়ে তুষার আবৃত অঞ্চলে ঘুরে বেড়ায়। হিমালয় ভ্রমণে আসা একাধিক মানুষের মুখে এই ইয়েতি'র পায়ের ছাপ সম্পর্কে শোনা গেলেও আদৌ তা সত্য হয়নি। সেগুলো সমস্ত ভাল্লুকের পায়ের ছাপ বলে প্রমানিত হয়েছে।

তবে ভারতীয় সেনারা যা আবিষ্কার করেছে তা আসলে কি? সত্যিই কি ইয়েতি'র পায়ের ছাপ? না কোনো বৃহদাকার ভাল্লুকের? না কি সমস্তটাই জল্পনা? গবেষণার পরেই জানা যাবে এর আসল রহস্য।

(ভারতীয় সেনাবাহিনীর ট্যুইট থেকে সংগৃহীত)

জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন