মোদীর নীতির জন্যই ধনী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে পার্থক্য ক্রমশই বাড়ছে - ইয়েচুরি

ঐ রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে বিশ্বের ৮ম এবং ভারতে এক নম্বর ধনী ব্যক্তি মুকেশ আম্বানি। ভারতের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে গৌতম আদানি। এরপর যথাক্রমে শিব নাডার, লক্ষী মিত্তল এবং সাইরাস পুনাওয়ালা।
সীতারাম ইয়েচুরি
সীতারাম ইয়েচুরিফাইল ছবি সংগৃহীত

কেন্দ্রীয় সরকারকে আবারও নিশানা করলেন সিপিআইএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। বুধবার সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট উল্লেখ করে ট্যুইট করে তিনি লেখেন- “প্রায় ১৫ কোটি ভারতীয় কাজ হারিয়েছেন। সেই একই সময়ে তালিকায় আরও ৪০ জন বিলিয়নিয়ার যুক্ত হল। তাঁদের মধ্যে অনেকেই সম্পদ বৃদ্ধির হার ১০০% অথচ ভারতের অর্থনীতি ৭% সঙ্কুচিত হয়েছে। “আচ্ছে দিন” ধনীদের- “বুরে দিন” গরীবদের। বাহ মোদীজী ...”

ঐ রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে বিশ্বের ৮ম এবং ভারতে এক নম্বর ধনী ব্যক্তি মুকেশ আম্বানি। ভারতের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে গৌতম আদানি। এরপর যথাক্রমে শিব নাডার, লক্ষী মিত্তল এবং সাইরাস পুনাওয়ালা। অন্যদিকে ভারতের অর্থনীতির দুরবস্থা সম্পর্কিত তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্য একটি ট্যুইটে সীতারাম ইয়েচুরি আবারও কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করে লিখেছেন- “মোদীর নীতির জন্যই ধনী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে পার্থক্য ক্রমশই বাড়ছে। অর্থনৈতিক বৈষম্যের নির্লজ্জতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে একজন মানুষ ঘন্টায় ৯০ কোটি টাকা উপার্জন করছেন আর এক চতুর্থাংশ ভারতীয়কে মাসিক ৩ হাজার টাকায় বেঁচে থাকতে হচ্ছে।”

সম্প্রতি CMIE রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১৯-২০ সালের তুলনায় বর্তমান সময়ে ভারতের অর্থনীতির হতশ্রী চেহারা ধরা পড়েছে। ২০২০ সালের মার্চ মাসে মোট কর্মীর সংখ্যা ৩৯৬ মিলিয়ন ছিল এপ্রিল মাসেই তা কমে দাঁড়িয়েছে ২৮২ মিলিয়নে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তামিলনাড়ু। মূলত ছোট ব্যবসায়ী এবং দৈনিক মজদুররাই কাজ হারিয়েছেন বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in