মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে সপরিবারে শিক্ষক খুনের ঘটনার জট এখনও কাটেনি। ইতিমধ্যেই এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে সরব হয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলগুলো। এই ঘটনায় রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরও নিজের অস্বস্তি ব্যক্ত করেছেন। এমতাবস্থায় রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত আটক দু’জন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলেই ঘটনা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। জিয়াগঞ্জ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই বলেও স্পষ্ট করেছে পুলিশ।

এই হত্যাকাণ্ডের জন্য ওই দম্পতির মাঝে তৃতীয় ব্যক্তির আগমন নাকি আর্থিক বিবাদ, কী কারণে প্রাণ গেল ওই পরিবারটির তা নিয়ে চলছে জোর আলোচনা। নিহতের শাশুড়ির দাবি এই ঘটনায় জড়িত রয়েছে নিহত শিক্ষক প্রকাশের বন্ধু সৌভিক বণিক। তাঁর ভিত্তিতে শুক্রবার রামপুরহাটের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সৌভিকের বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। তবে তার খোঁজ পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার বিকালে রামপুরহাটে সৌভিক বণিকের বাড়িতে পৌঁছায় পুলিশবাহিনী। সৌভিকের বাড়িতে তল্লাশি চালায় তারা। নিহত শিক্ষক প্রকাশের বন্ধু সৌভিকের ঘর থেকে বেশ কিছু কাগজপত্র উদ্ধার করেছেন মুর্শিদাবাদের লালবাগ মহকুমা পুলিশ আধিকারিক বরুণ বৈদ্য।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সৌভিককে নিয়ে একটি মার্কেটিং এজেন্সি খোলার উদ্যোগ নিয়েছিলেন জিয়াগঞ্জের বাসিন্দা নিহত ওই শিক্ষক। নিহত প্রকাশের শাশুড়ির দাবি, তার জেরে চড়া সুদে ধার করে অন্তত ৭-৮ লক্ষ টাকা সৌভিককে দিয়েছিলেন তাঁর জামাই। তবে টাকা ফেরত দিতে চাইত না সৌভিক। টাকা ফেরতের কথা বললে প্রাণনাশের হুমকিও দিত সে। তাই তাঁর অনুমান, আর্থিক বিবাদের জেরে সপরিবারে খুন হতে হয়েছে ওই শিক্ষককে। নিহত ওই শিক্ষকের শাশুড়ি এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন।


জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন