আর মাত্র হাতে গোনা কয়েক ঘন্টা। রাত পোহালেই শুরু গণতন্ত্রের উৎসব। আগামীকাল পশ্চিমবঙ্গের উত্তরের দুটি জেলা তথা দুটি লোকসভা কেন্দ্র কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে ভোটগ্রহণ। প্রস্তুতি প্রায় শেষ। এবার অপেক্ষা ভোটগ্রহণের।

যদিও প্রথম দফার নির্বাচনের নিরাপত্তা নিয়ে ইতিমধ্যেই একাধিক প্রশ্ন উঠছে। কমিশন আগে জানিয়েছিলো সব বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে ভোট হবে। কিন্তু বর্তমানে চিত্র সম্পূর্ণ আলাদা। কমিশন জানিয়েছে এই দুটি লোকসভা কেন্দ্রের সব বুথে থাকছে না কেন্দ্রীয় বাহিনী। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রাজ্য পুলিশ দিয়ে ভোটগ্রহণ হবে।

কমিশন মারফত জানা গিয়েছে, কোচবিহারের মোট ২০১০ টি বুথের মধ্যে ৬২২ টি স্পর্শকাতর বুথ। মাত্র ১০৬০টি বুথে থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী৷ ৯৫০টি বুথে রাজ‍্য পুলিশের সাহায্যে ভোট হবে৷

অন‍্যদিকে আলিপুরদুয়ারে মোট ১৮৩৪টি বুথের মধ্যে ৫৪৪টি বুথ স্পর্শকাতর। ৫৪৪টি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মজুত থাকলেও বাকি ১২৯০টি বুথে রাজ‍্য পুলিশের ভরসাতেই নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে ভোটকর্মীদের। তবে, কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকা বুথে ওয়েবকাস্টিং ব্যবস্থা থাকছে৷

আলিপুরদুয়ার লোকসভা কেন্দ্রের সমস্ত বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে না। আলিপুরদুয়ার লোকসভা কেন্দ্রে মোট বুথের সংখ্যা ১৮৩৪। তার মধ্যে ৫৪৪টি স্পর্শকাতর বুথ রয়েছে। সেই স্পর্শকাতর বুথগুলিতে ২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয়বাহিনী থাকবে। যে সমস্ত বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে না সেই সমস্ত বুথে সশস্ত্র রাজ্য পুলিশ থাকবে। এবিষয়ে জেলা নির্বাচন আধিকারিক শুভাঞ্জন দাস বলেন, ভোট পর্ব নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সবরকম ব্যবস্থাই গ্রহণ করা হয়েছে। ৫৪৪টি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি সশস্ত্র রাজ্য পুলিশও থাকবে।আলিপুরদুয়ার লোকসভা কেন্দ্রের মোট ভোটার ১৬ লক্ষ ৪৩ হাজার ৬১৬। ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১,৮৩৪টি। এদিকে, কোচবিহারে ভোটার সংখ্যা ১৮ লক্ষ ১০ হাজার ৬৬০। মোট ভোটগ্রহণ কেন্দ্র ২০১০টি।

কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রটি কোচবিহার উত্তর, কোচবিহার দক্ষিণ, মাথাভাঙ্গা, দিনহাটা, সিতাই, শীতলকুচি ও নাটাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে গঠিত। কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ১৮ লক্ষ ১০ হাজার ৬৬০ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছে ৯ লক্ষ ৪১ হাজার ৪৭৯ জন। মহিলা ভোটার রয়েছে ৮ লক্ষ ৭০ হাজার ১৭৫ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৬ জন। কোচবিহার কেন্দ্রে মোট বুথ সংখ্যা ২০১০টি, ভোটগ্রহণ কেন্দ্র রয়েছে ১৪৮৭টি। ৪৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ থাকবে ভোটের নিরাপত্তার দায়িত্বে।

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে মোবাইল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কোনো ভোটকর্মীর মৃত্যু হলে তাকে ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

 


জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন