কিছুদিন আগেও লাভপুরের মানুষের ভাবনার অতীত ছিলো যে, দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল বিধায়ক মণিরুল ইসলামকে প্রবল জনরোষের মুখে পড়ে থানায় আশ্রয় নিতে হবে। আর শনিবার সেই ঘটনারই সাক্ষী রইলো লাভপুরের মানুষ। প্রবল জনরোষের মুখে পড়ে এদিন কার্যত পালিয়ে যান তৃণমূল কংগ্রেসের এই দোর্দণ্ডপ্রতাপ বিধায়ক।

ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়। যেদিন সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা বাড়িতে চড়াও হয়ে তুলে নিয়ে যায় প্রথমা বটব্যাল নামে এক যুবতীকে। কানে বন্দুক ঠেকিয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া তরুণীর এখনও পর্যন্ত খোঁজ মেলেনি। আর তাতেই গত দুদিন ধরে একটু একটু করে চড়েছে উত্তেজনার পারদ।

সময় যত বেড়েছে ততই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে গ্রাম থেকে গ্রামে। দীর্ঘ দশ থেকে বারো কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এই বিক্ষোভের আঁচে জ্বলছে লাভপুর। যে বিক্ষোভের হাত থেকে রেহাই পাননি খোদ তৃণমূল বিধায়ক মণিরুল ইসলাম।

এদিন লাভপুরের তৃণমূল বিধায়ক তাঁর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে গ্রামের বাড়ি ফিরছিলেন। ইন্দাস হয়ে যাওয়ার সময়ে বিক্ষোভরত জনতার মুখোমুখি পড়ে যান তৃণমূল বিধায়ক। এরপরই তীব্র জনরোষ আছড়ে পড়ে বিধায়কের গাড়ি লক্ষ্য করে। বিধায়কের দেহরক্ষী বিক্ষোভরত জনতাকে আটকান। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় এবং বিধায়ককে থানায় নিয়ে যায়। এরপরই উত্তেজিত জনতা থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে।

এদিন ইন্দাস, লাভপুরের আশেপাশের সমস্ত গ্রামে গ্রামে চলে রাস্তা অবরোধ। নিখোঁজ যুবতী প্রথমাকে খুঁজে বের করার দাবীতে গ্রামে গ্রামে টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করা হয়। অনেক জায়গাতেই পুলিশের সঙ্গে উত্তেজিত জনতার ধ্বস্তাধ্বস্তির খবরও পাওয়া গেছে।

 


জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন