নীল তিমির পর এবার মারন মোমো গেম গ্রামে গঞ্জে ছড়িয়ে পড়ছে। এরফলে সেই সমস্ত এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও ব্লু হোয়েল এর মানুষের সচেতনতা অনেকটাই বেড়েছে। যে কারণে এই মারণ গেম যুবক যুবতির মোবাইলে ছড়িয়ে পড়লেও তাঁদের বেশিরভাগই কিন্তু এই গেম খেলার বদলে বরং তা ডিলিট করে দিচ্ছে।

ইতিমধ্যেই সংবাদমাধ্যমের দৌলতে সাধারণ মানুষ এই মারণ গেমের কথা জানতে পেরেছেন। যদিও গ্রামের সাধারণ সাদাসিধে মানুষ এই গেমকে ভূত বলে মনে করছে এবং সেই কারণে ছেলে মেয়েদের তাদের বাবা মায়েরা সেই মোবাইল ছুঁতে দিচ্ছেন না।

বর্তমানে এই সমস্যায় পড়েছে মেটেলি ব্লকের দক্ষিণ ধুপঝোড়ার কায়েত পাড়ার এক কলেজ ছাত্রী ভাস্বতি রায়। সে এই গেম খেলেনি। কিন্তু তার বাবা-মা তাঁর মোবাইলে ওই গেম আসার পর থেকে ভয়ে তাকে মোবাইল ছুঁতে দিচ্ছেনা। শুধু তাই নয় সে যেখানেই যায় তাকে একাও ছাড়ছে না তার পরিবার।

তার দিদিমার বয়ান অনুসারে মোবাইলে ভূত দেখা যাচ্ছে। আগে আমরা এরকম কখনো দেখিনি। এখন সেই ভূত দেখা যাচ্ছে। তাই মোবাইল ওর কাছ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কোথাও গেলে তাকে আমরা একা ছাড়া হচ্ছে না।

সব মিলিয়ে মারণ মোমো গেমের আতংকে ভুগছে গোটা গ্রাম। ভাস্বতী জানায়, কয়েকদিন আগে তার মোবাইলে whatsaap-e অজানা নাম্বার থেকে মোমো গেম খেলার প্রস্তাব আসে। সেটা সে ডিলিট করে দেয়। তার কয়েকজন বান্ধবীর কাছে একই প্রস্তাব আসে। বিষয়টি নিয়ে আতঙ্কে আছে স্বয়ং ভাস্বতীও। ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়েছে গ্রামের মানুষ।

(ছবি সংগৃহীত)


জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন