রাজ্যপাল তাঁর সাংবিধানিক সীমা লঙ্ঘন করে কাজ করছেন - বিমান বসু

রাজ্যপাল যেটা করছেন তা যেমন আমরা সমর্থন করছিনা। পাশাপাশি রাজ্যের পক্ষ থেকেও যা যা মন্তব্য করা হচ্ছে তা আমরা সমর্থন করছিনা। প্রত্যেকেরই শব্দ বা বাক্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে মাত্রা রক্ষা করা উচিত।
রাজ্যপাল তাঁর সাংবিধানিক সীমা লঙ্ঘন করে কাজ করছেন - বিমান বসু
সাংবাদিক সম্মেলনে বিমান বসুনিজস্ব চিত্র

রাজ্যপাল তাঁর সাংবিধানিক সীমা লঙ্ঘন করে কাজ করছেন। তিনি সবজায়গায় বিজেপি নেতাদের সঙ্গে নিয়েই ঘুরছেন। আমরা একথা বলছিনা যে তিনি কোথাও যেতে পারেন না। কিন্তু বিজেপি নেতাদের সঙ্গে নিয়ে যাবেন কিসের জন্য? তিনি তো বিজেপির লোক নন? একজন রাজ্যপালের ভূমিকা এটা হতে পারেনা। বুধবার আলিমুদ্দিন ষ্ট্রীটে সিপিআই(এম) রাজ্য দপ্তরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানান বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু।

এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বিমান বসু বলেন – রাজ্য সরকার বা রাজ্যপাল কারোরই ডেকোরাম ভেঙে মন্তব্য করা উচিত নয়। মন্ত্রীসভার সদস্যরা নির্বাচিত সদস্য। রাজ্যপাল একজন মনোনীত সদস্য। রাজ্যপাল যেটা করছেন তা যেমন আমরা সমর্থন করছিনা। পাশাপাশি রাজ্যের পক্ষ থেকেও যা যা মন্তব্য করা হচ্ছে তা আমরা সমর্থন করছিনা। প্রত্যেকেরই শব্দ বা বাক্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে মাত্রা রক্ষা করা উচিত। রাজ্যপাল বিধি ভাঙছেন বলে আমাদের ভাঙতে হবে এই মনোভাব সঠিক নয়।

তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার যত ভ্যাকসিন দিয়েছে রাজ্যের সব মানুষকে ভ্যাকসিন দিতে হলে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। এই বিষয়ে রাজ্য সরকারের বিবৃতি দিয়ে বলা উচিত কত ভ্যাকসিন এসেছে কত ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের পর্যাপ্ত ভ্যাকসিনের বন্দোবস্ত করা উচিত।

এদিন বিমান বসু বলেন – পেট্রোপণ্য সহ অন্যান্য দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বিরুদ্ধে আগামী ১৬ জুন থেকে পাঁচ বাম দলের ডাকে দেশজুড়ে প্রতিবাদ সপ্তাহ পালন করা হবে। কেন্দ্রীয় এই বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন সীতারাম ইয়েচুরি, ডি রাজা, দেবব্রত বিশ্বাস মনোজ ভট্টাচার্য, এবং দীপঙ্কর ভট্টাচার্য। রাজ্যেও এই কর্মসূচী রূপায়িত হবে। এই পাঁচ বাম দলের সঙ্গে রাজ্যে ১৬ বাম সহযোগী দলের সঙ্গেও বৈঠক ল্রা হবে। এইসঙ্গে রাজ্যে ওষুধ এবং কোভিড চিকিৎসা সংক্রান্ত দ্রব্যে যে জিএসটি চাপানো হচ্ছে তারও বিরোধিতা করা হবে। এছাড়াও ভ্যাকসিনেশন, অক্সিজেন সরবরাহ বিনামূল্যে করতে হবে।

­এদিন বিমান বসু আরও বলেন – রাজ্যে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বিধিনিষেধ জারি আছে। অথচ বলা হয়েছে ২৫ শতাংশ কর্মী নিয়ে অফিস কাছারি খুলে দেবার কথা হয়েছে। এক্ষেত্রে যারা অফিস যাবেন তাঁরা কীভাবে অফিস পৌঁছাবেন? সেই বিষয় বিবেচনা করে পরিবহন চালু করার বিষয়ে আবেদন জানানো হবে।

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in