তৃণমূল নেতাদের পাশে ভুয়ো IAS দেবাঞ্জনের নাম, বিতর্কিত সেই ফলক ভেঙে ফেলল কলকাতা পুরসভা

ভুয়ো কাগজপত্র ও পরিচয় পত্রের মাধ্যমে কলকাতা পুরসভার নামে আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কে কিভাবে একাউন্ট খুলেছিল! তদন্ত চেয়ে আইসিআইসিআই ব্যাংকের বিরুদ্ধে এফআইআর করছে কলকাতা পুরসভা।
তৃণমূল নেতাদের পাশে ভুয়ো IAS দেবাঞ্জনের নাম, বিতর্কিত সেই ফলক ভেঙে ফেলল কলকাতা পুরসভা
ভেঙে ফেলা হচ্ছে বিতর্কিত সেই ফলক নিজস্ব চিত্র

তালতলায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মূর্তির নিচে বিতর্কিত ফলকটি ভেঙ্গে দেওয়া হচ্ছে কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে বলে জানালেন অতীন ঘোষ। পাশাপাশি ভুয়ো কাগজপত্র ও পরিচয় পত্রের মাধ্যমে কলকাতা পুরসভার নামে আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কে কিভাবে একাউন্ট খুলেছিল তার তদন্ত চেয়ে আইসিআইসিআই ব্যাংকের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হচ্ছে বলেও এদিন জানান অতীন বাবু।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মূর্তি বসানো নিয়ে ফেক আইএএস দেবাঞ্জন দেবের সঙ্গে ফিরহাদ হাকিম, অতীন ঘোষ, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দেবাশীষ কুমারের নাম দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে যারা শোরগোল করছেন, তাদের জানা উচিত এই অনুষ্ঠানে কেউই সেদিন উপস্থিত ছিলেন না। অনুষ্ঠানটি সঙ্গে কলকাতা পুরসভার কোন সম্পর্ক বা যোগসুত্র ছিল না বলে দাবি অতীন ঘোষের।

তিনি আরও বলেন- নিছকই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে যারা বিষয়টিকে সামনে এনে নানান মন্তব্য করছেন, তাদের আসল সত্যটি জানা উচিত ছিল। পাশাপাশি কসবায় ফেক ভ্যাকসিন দেওয়ার বিষয়টি থেকে কলকাতা পুরসভা কোনভাবেই দায় এড়াচ্ছে না। যে সমস্ত মানুষ এই ফেক ভ্যাকসিনেশনের শিকার হয়েছেন তাদের প্রত্যেকের স্বাস্থ্য পরীক্ষার পাশাপাশি, আগামী দিনে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের পরামর্শ ক্রমে ভ্যাক্সিনেশন করার দায়িত্ব নিয়েছে কলকাতা পুরসভা বলেও এদিন জানান অতীন ঘোষ।

এদিকে কসবা ভ্যাকসিন কাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত আইএএস দেবাঞ্জন দেবের সঙ্গে পৌরসভার বর্তমান প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিমের ছবিকে কেন্দ্র করে তাঁর পদত্যাগ দাবি করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই প্রসঙ্গে ফিরহাদ বলেন- "মেহুল চোক্সি সহ আর্থিক তছরুপের সঙ্গে যুক্ত অনেকের সঙ্গে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবি দেখা গিয়েছে। দিলীপবাবু প্রথমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগ দাবি করুন।"

তাঁর আরও দাবি- "জনগণের স্বার্থে কাজ করেন, তারা কখনোই পুলিশের কাজ করতে পারেন না। কোন মানুষ কি ধরনের, কে বা কারা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত তা দেখার দায়িত্ব পুলিশ প্রশাসনের। তাই জনপ্রতিনিধিদের আশপাশে থাকা লোকের সঙ্গে ছবি থাকলেই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকবে এমন কোন কথা নেই। আইন আইনের পথে চলবে, দোষী সাব্যস্ত হলে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে।"

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

No stories found.
People's Reporter
www.peoplesreporter.in