বড়সড় ভাঙন কংগ্রেসে! বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠী জি-২৩ নেতাদের সাথে যোগাযোগ তৃণমূলের

গান্ধী পরিবারের প্রতি ক্ষুব্ধ জি-২৩-এর নেতাদের সঙ্গে নাকি ইতিমধ্যে তৃণমূল যোগাযোগ করেছে। দলের প্রতি আনুগত্য থাকলেও গান্ধীদের প্রতি নেই বলা চলে। আর সেটাকেই হাতিয়ার করছে তৃণমূল।
বড়সড় ভাঙন কংগ্রেসে! বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠী জি-২৩ নেতাদের সাথে যোগাযোগ তৃণমূলের
ফাইল চিত্র - সংগৃহীত

ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমে পড়ল তৃণমূল। জাতীয় দল কংগ্রেসের অন্দর অনেকটা তাসের ঘরের মতোই ভেঙে পড়েছে। ঘূণ ধরেছিল অনেকদিনই। বিক্ষুব্ধদের সংখ্যা ক্রমশই বাড়ছিল। দলীয় সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে জি-২৩ গড়ে সরব হয়েছিলেন কপিল সিব্বল-সহ আরও অনেকে। দল কার সিদ্ধান্তে চলছে? কেন প্রবীণ ও অভিজ্ঞ নেতারা দল ছাড়ছেন? কেনই কপিল সিব্বল প্রকাশ্যে দলের বিরোধিতা করছেন? কেনই বা হঠাৎ দিগ্বিজয় সিং অমিত শাহ এবং আরএসএসের সুনাম করছেন? কোনও প্রশ্নেরই কোনও জবাব নেই।

এই সুযোগকে হাতছাড়া করতে নারাজ তৃণমূল। সর্বভারতীয় মহিলা কংগ্রেসের প্রাক্তন সভানেত্রী সুস্মিতা দেব, গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফেলেইরোর পর এবার মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমাও সদলবলে ঘাসফুলে নাম লেখাতে চলেছেন। এমনই গুঞ্জন। এছাড়াও ত্রিপুরার বহু ছোটখাট কংগ্রেস নেতা তো আগেই নাম লিখিয়েছেন তৃণমূলে। আর এসবে জোর ধাক্কা লেগেছে কংগ্রেসে।

গান্ধী পরিবারের প্রতি ক্ষুব্ধ জি-২৩-এর নেতাদের সঙ্গে নাকি ইতিমধ্যে তৃণমূল যোগাযোগ করেছে। দলের প্রতি আনুগত্য থাকলেও গান্ধীদের প্রতি নেই বলা চলে। আর সেটাকেই হাতিয়ার করছে তৃণমূল। এই তালিকায় আছেন কপিল সিব্বল, শশী থারুর, মণীশ তিওয়ারি, গুলাম নবি আজাদ, বীরাপ্পা মইলির মতো প্রভাবশালী নেতা। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, এই জি-২৩-র দুই নেতার সঙ্গে তৃণমূল যোগাযোগ করেছে।

তৃণমূলের এক শীর্ষস্তরের নেতা জানান, 'ইউপিএ জমানায় মন্ত্রী ছিলেন, এমন অন্তত দুজন কংগ্রেস নেতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। তবে, তাঁরা যোগ দেবেন কিনা, স্পষ্ট নয়।' বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনার পর আগামী কয়েকমাসের মধ্যে সবটা পরিষ্কার হবে বলে জানান তিনি।

GOOGLE NEWS-এ আমাদের ফলো করুন

Related Stories

No stories found.