আইএলও কনভেনশন-এ স্বাক্ষরকারী হয়েও বহু শতাব্দীর সংগ্রামে অর্জিত ৮ ঘণ্টা কাজের অধিকার বাতিল করার চেষ্টা সংবিধানের অঙ্গীকার অস্বীকার করার সমান। মোদী সরকারের এই ভয়ঙ্কর পদক্ষেপের কঠোর বিরোধিতা করা হবে। শনিবার এক ট্যুইট বার্তায় একথা জানিয়েছেন সিপিআই(এম) সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি।

উল্লেখ্য বর্তমানে চালু ফ্যাক্টরি অ্যাক্ট, ১৯৪৮-এ খুব শীঘ্রই বদল করতে চলেছে কেন্দ্র। এই আইন অনুসারে দিনে ৮ ঘণ্টা ও সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টার বেশি শ্রমিকদের কাজ করানো যায়না। কিন্তু এবার আইন বদল করে দিনে ১২ ঘণ্টা ও সপ্তাহে ৭২ ঘণ্টা কাজ করার সময় বাড়িয়ে দেওয়ার ভাবনাচিন্তা করছে কেন্দ্রীয় সরকার। কারণ, চাহিদা পূরণ করতে ও তুলনামূলক কম শ্রমিক থাকায় সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে চাওয়ার এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ভাবা হয়েছে বলে খবর।

 

এর ফলে দৈনন্দিন কাজের সময় বৃদ্ধি পাবে। এই প্রস্তাবটি নিয়ে আপাতত ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে। ফ্যাক্টরি আইনের ৫১ নং ধারায় সপ্তাহে যেমন ৪৮ ঘণ্টার বেশি কাজ না করার কথা রয়েছে, তেমনই আর একটি ধারায় ওভারটাইমের কথাও উল্লেখ রয়েছে। সুতরাং কোভিড মহামারির কারণে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তা থেকে বেরিয়ে আসতে এই আইনের এই ধারাটিকে কাজে লাগাতে হবে।

একটি উৎপাদনকারী সংস্থার আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রয়োজনের তুলনায় শ্রমিকের ঘাটতি আসল সমস্যা। কারণ, এই সময় সংস্থায় ৫০ শতাংশের বেশি কর্মী নিয়ে কাজ করার অনুমতি দেয়নি স্থানীয় প্রশাসন। কিছুক্ষেত্রে তার থেকেও কম কর্মী নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। আর কাজের সময় বৃদ্ধি পেলে কর্মীরাও ওভারটাই করার জন্য তুলনামূলকভাবে বেশি টাকা পাবেন। কনজিউমার এফেযার্স সেক্রেটারি পবন আগরওয়াল ও ডিপার্টমেন্ট ফর প্রোমোশন অফ ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড ইন্টারনাল ট্রেড-এর সচিব গুরুপ্রসাদ মহাপাত্র-সহ আরও অনেকে এই প্রস্তাবে সায় দিয়েছেন।  


জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন