আসন্ন বিহার বিধানসভা নির্বাচনে নীতীশ কুমারের ভাগ্যনির্ধারণের বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গত ১৫ বছর ধরে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসার পর রাজনৈতিকভাবে তাঁর জায়গা পাকা থাকলেও, বিরোধিতাও জায়গাটাও ভালোই তৈরি হয়েছে। আপাতত এই রাজনৈতিক বিরোধিতার কারণেই রাজ্যে তাঁর আসন টলে যাওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা।

রাজ্যে বাড়তে থাকা অপরাধ নীতীশের প্রতিশ্রুতি না-রাখতে পারার অন্যতম উদাহরণ। সৃজন কেলেঙ্কারি থেকে মুজফফরপুর শেল্টার হোম মামলায় তাঁর সেই ভাবমূর্তি অনেকটাই নষ্ট হয়েছে। যেভাবে তাঁর সরকার মহামারি, পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরাতে, বন্যা পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছে, তাতে নীতীশ সরকারের অদক্ষতা ও অসংবেদনশীলতা স্পষ্ট হয়েছে। সরকারি অফিসের বড় কর্তারা যেভাবে 'সুশাসন সারচার্জ' চাপিয়ে দিয়েছিলেন তাতে দুর্নীতি আরও প্রকট হয়েছে। এর ফলে নজরদারি অভিযান, জেল খাটা এবং চাকরি যাওয়ার সম্ভাবনা আরও বেড়ে গিয়েছে। গত পাঁচ বছরে রাজ্যে গণ ছুটি নিয়েছেন নজরদারি বিভাগের পরিদর্শকরা।

এদিকে চিরাগ পাসোয়ান নীতীশের চিন্তা আরও বাড়িয়ে দিয়ে তাঁর পরিবর্তে প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীদের। এঁদের মধ্যে জিতনরাম মাঝিও রয়েছেন। অবশ্য ইতিমধ্যেই বিজেপি যেন তেন প্রকারে নীতীশকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ফের বসাতে চায়। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই মনে করছেন, বিজেপি নীতীশ কুমারের কাছ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর গদি কেড়ে নেবে। এই পরিস্থিতিতে চিরাগ যদি সেই কাজটা করতে পারে তাহলে তো খুবই ভালো হয়। কিন্তু, না পারলেও অন্য দল থেকে প্রার্থী এনে তা পূরণ করবে।


জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন