জেডি(ইউ)-বিজেপি জোট বিহারকে পেছন থেকে ছুরি মেরেছে। রাজ্যে প্রায় সমস্ত চিনি কল, চট কল, কাগজ কল, ধান কল বন্ধ। নীতিশ কুমারের ১৫ বছরের শাসনে কমপক্ষে ৬০টি বড়োসড়ো দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার মহাজোটের নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করতে গিয়ে সংবাদমাধ্যমে একথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব।

এদিন তেজস্বী আরও বলেন, আমাদের প্রতিশ্রুতি হল প্রাণ হামারা, সংকল্প বদলাও কা। আমি একজন প্রকৃত বিহারী। আমি আগেই ঘোষণা করেছি যদি সরকারে আসি প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকে আমরা ১০ লক্ষ স্থায়ী চাকরির ব্যবস্থা করবো। সরকারি চাকরির ফর্ম বিনা পয়সায় দেওয়া হবে। রাজ্য জুড়ে সর্বত্র কর্পূরী শ্রম সহায়তা কেন্দ্র খোলা হবে। আমরা সমস্ত অ্যাড হক শিক্ষকদেরও সাহায্য করবো।

 

তেজস্বী যাদবের এদিনের বক্তব্য অনুসারে – রাজ্যে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হল বেকারি। রাজ্যের মানুষ বর্তমান সরকারের ওপর ক্ষুব্ধ। বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন। বহু ব্যবসা ধ্বংস হয়ে গেছে। সরকারের সেসব দিকে কোনো দৃষ্টি নেই। রাজ্যের বন্যা পীড়িত ১৮ জেলার কোনোটাকেই কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষতির পরিমাণ জানতে প্রতিনিধিদল পাঠায়নি। এঁরা শুধু ক্ষমতা দখলের জন্য মরিয়া।

মহাজোটের নির্বাচনী ইস্তেহার অনুসারে – এই জোট ক্ষমতায় এলে বাজেটের ১২ শতাংশ শিক্ষার জন্য ব্যয় করা হবে। প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারী স্কুলে প্রতি ৩০ এবং ৩৫ জন ছাত্র পিছু একজন করে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। প্রতি স্কুলে আর্ট, কম্পিউটার এবং ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। স্মার্ট গ্রাম যোজনা স্থাপন করে প্রতি পঞ্চায়েতে একজন ডাক্তার ও নার্স সহ ক্লিনিক তৈরি করা হবে।

উল্লেখ্য এবারের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে আরজেডি, কংগ্রেস, সিপিআই(এম), সিপিআই, সিপিআই(এম-এল) জোট বেঁধে নির্বাচনে লড়াই করছে। এনডিএ জোটের দুই প্রধান শরিক বিজেপি ও জেডি(ইউ)। এছাড়াও এলজেপি একক শক্তিতে লড়াই করছে।   


জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন